শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কক্সবাজারে বিজিবির মানবিক উদ্যোগ: অসহায়দের বিনামূল্যে চিকিৎসা, অনুদান ও উপহার বিতরণ মীরসরাই সহ পুরো চট্টগ্রাম জুড়ে ফ্যাসিবাদ বিরোধী ও ফ্যাসিবাদের দোসর সাংবাদিকতা নিয়ে ক্ষোভ-বিক্ষোভ অব্যাহত প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান-কে নিয়ে কটুক্তির প্রতিবাদে দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে বিক্ষোভ মিছিল ও কুশপুত্তলিকা দাহ করেছে পৌর বিএনপি। ইবনে সিনা কোম্পানির শ্রমিক হত্যার বিচারের দাবীতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন। কক্সবাজারে বিজিবির অভিযানে ৫,৭০০ পিস ইয়াবাসহ ২ জন আটক ভালুকায় ভারতীয় ৯০ বোতল মদ ও প্রাইভেটকার সহ আটক -১ বোরো ধান কর্তনের মধ্য দিয়ে করিমগঞ্জে কৃষি মৌসুমের সূচনা চট্টগ্রামের মীরসরাইতে ভূঁইফোঁড় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের অবাধ ছড়াছড়ি, প্রকৃত সাংবাদিকদের মান বাঁচানো ও দায় হয়ে পড়েছে শ্রীপুরের মাওনা চৌরাস্তায় অবৈধভাবে গড়ে ওঠা দোকানপাটের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন আমি আওয়ামী লীগের সাথে জড়িত নই, সুতরাং দোসর হলাম কি ভাবে? এমন প্রশ্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র মনজুর আলমের?

শিশুর ঘন ঘন পেটব্যথা হলে করণীয়

আপনার শিশুসন্তানের ঘন ঘন জ্বর ও পেটব্যথা হতে পারে। এটা ভাইরাল সংক্রমণও হয়ে থাকতে পারে। কোনো কিছুই খেতে চায় না। জোর করে খাওয়ানো হয়। এ সমস্যা কমবেশি প্রতিটি  ঘরে হয়ে থাকে। এ নিয়ে মা-বাবার যেন দুশ্চিন্তার শেষ নেই। এ বিষয়ে কখনো অবহেলা করা ঠিক নয়। আপনার শিশুসন্তানের বেড়ে ওঠার যতে এগিয়ে আসুন। সুন্দর পরিবেশে গড়ে তুলন আপনার সন্তানকে। মৌসুম বদলের সময়ে তাপমাত্রার ওঠানামা হয়। এই সময়টায় শিশুরা সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়। আজ জ্বর তো কাল পেটব্যথা। এ সমস্যা ছাড়াও শরীরে ক্লান্তি, বমিভাব ও খিদে নেই লেগে থাকেই। ডায়রিয়াও ভোগায় শিশুদের। নিত্যদিন একটা না একটা সমস্যা লেগেই থাকে। এ অবস্থায় কী করা উচিত তা জেনে রাখা জরুরি সব বাবা-মায়ের। এ বিষয়ে শিশু চিকিৎসক প্রিয়ঙ্কর পাল বলেছেন-নিছকই পেটগরম থেকে জ্বর নয়। ভাইরাল সংক্রমণও হয়ে থাকতে পারে অন্ত্রে। সংক্রমণ থেকেই ঘন ঘন জ্বর এবং পেটব্যথা হতে পারে। চিকিৎসকের ভাষায় একে বলে- ‘স্টমাক ফ্লু’। সে কারণেও পেটব্যথা হতে পারে আপনার শিশুসন্তানের। প্রিয়ঙ্কর পাল আরও বলেন, অন্ত্রে সংক্রমণ হলে তাকে ‘ভাইরাল গ্যাস্ট্রোএন্টেরাইটিস’ বলা হয়।

সহজ কথায়- পেটের ভেতর ভাইরাসের সংক্রমণ। ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস বলে অনেকে গুলিয়ে ফেলেন, আসলে তা নয়। খাদ্যনালিতে অনেক ভালো ব্যাকটেরিয়াও থাকে, যারা খাবারের পরিপাকে সাহায্য করে। কিন্তু বাইরে থেকে কোনো সংক্রামক ভাইরাস সেখানে ঢুকে পড়লে তীব্র প্রদাহ শুরু হয়। খাবার ঠিকমতো হজম হয় না, পেটে যন্ত্রণা শুরু হয়। পেট খারাপ, বমি এবং তা থেকেই জ্বর চলে আসে। সেই জন্য খাওয়াদাওয়ায় অনেক বেশি সতর্ক থাকতে হবে মা-বাবাকে। এদিকে হোটেল কিংবা রেস্তোরাঁয় গিয়ে বিরিয়ানি, রোল, চাউমিন, প্যাকেট প্যাকেট চিপস, লাল মাংস খাওয়ার অভ্যাস যদি শিশুর থাকে, তা হলেও তা পেপটিক আলসারের ঝুঁকি বাড়াবে। তাই শিশুকে ঘরে তৈরি খাবারই খাওয়াতে হবে। আর বাইরের পানি খেতে দেওয়া একদমই ঠিক নয়। কারণ বাইরে ঘুরতে গিয়ে রাস্তার শরবত, নরম পানীয় বা ফলের রস শিশুকে দেবেন না। এতে আপনার শিশুর জন্য এসব পানীয় আরও ভয়ঙ্কর ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াবে। সে জন্য রাস্তার খাবার একেবারেই নয়। রাস্তায় বিক্রি হওয়া আইসক্রিম আর বরফের গোলা কখনই খাওয়াবেন না। আর ফল খাওয়ালে ভালো করে ধুয়ে তবেই শিশুদের খাওয়াবেন। সবচেয়ে ভালো- বাড়িতে ভাত, ডাল, কম তেলে রান্না মাছের ঝোল, চিকেন স্যুপ খাওয়াতে পারেন। আর পানি ফুটিয়ে খাওয়াতে পারলে আরও ভালো হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Like Our Page