বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায়, চলবলা ইউনিয়ন বিএনপির দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম শান্তকে তারেক রহমানের উপহার ২০২৬ সালের রমজান কবে? ওমানে নিহত মা-ছেলেসহ ৩ বাংলাদেশির মরদেহ দেশে ফিরছে আজ বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন তারেক রহমান থাইল্যান্ডে আবারও ভেঙে পড়ল ক্রেন, নিহত ২ জুবিন গার্গ এর করুণ মৃত্যুর আসল কারণ জানাল সিঙ্গাপুরের পুলিশ নির্বাচনে কোনো ব্যত্যয় ঘটলে দেশের সার্বভৌমত্ব বিঘ্নিত হবে : দুদু মীরসরাই-সীতাকুন্ড সহ পুরো চট্টগ্রাম ব্যাপী ভুয়া সাংবাদিকদের দৌরাত্ম্য, উদ্বিগ্ন প্রশাসন ও প্রকৃত সংবাদকর্মীরা অশালীন’ পরামর্শ দিয়ে বিপাকে হানি সিং

রাজশাহীতে অনুদানের নামে ইট ভাটায় চাঁদাবাজি

মোস্তাফিজুর রহমান জীবন রাজশাহী :

রাজশাহীর পবায় অনুদানের নামে চাঁদা উত্তোলন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পবা উপজেলা প্রশাসন ইউএনও’র পক্ষে এ চাঁদা উত্তোলন করা হয়। ৫০ টি ইট ভাটায় প্রায় অর্ধকোটি টাকা চাঁদা উত্তোলন করা হয়েছে।

ইট-ভাটা ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, নভেম্বর মাসের শুরু থেকে পবা উপজেলায় কাগজপত্র যাচাই বাছাই এর নামে এসব চাঁদা উত্তোলন করা হয়। প্রতিটি ব্যবসায়ীর নিকট ৭০/৮০ হাজার টাকাসহ সকল ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন সমিতির তালিকা করে গণহারে এই চাঁদা তোলা হয়।

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে আরও জানা যায়, পবা উপজেলা ইউএনও অফিসে গিয়ে আর্থিক অনুদানের নামে একটি রশিদের মাধ্যমে এই চাঁদাগুলো নেওয়া হয়েছে।

নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক পবা উপজেলার হরিয়ান ইউনিয়নের এক ভাটার মালিক অসহায়ত্ত্ব প্রকাশ করে বলেন, অর্থিক অনুদানের নামে ঘুষ বাণিজ্য নতুন কিছু না। ইট ভাটা চালাতে প্রতি বছর গুনতে হয় মোটা অংকের টাকা। উপজেলা নির্বাহী অফিসার থানা সব কিছুই ম্যানেজ করে আসতে হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, প্রতি বছরে এল আর ফান্ড নামের ভাউচারের মাধ্যমে দিতে হতো মোটা অংকের টাকা কিন্তু এই বছরে অর্থিক অনুদানের নামে দিতে হয়েছে। এই ঘুষ বাণিজ্যের বাইরে পরিবেশ অধিদপ্তরও বাদ নেই। ঘুষ না দিলেই চলবে উপজেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযান।

নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক পবা উপজেলার আরেক কর্মকর্তা জানান, ইটভাটা মালিকদের কাছ থেকে চাঁদা নেওয়ার বিষয়টি স্বীকারও করছিনা আবার অস্বীকারও করছি না। কত টাকা তোলা হয় বা ব্যয় করা হয় তা সব জানেন ইউএনও স্যার ও অফিস। আমি এ ব্যাপারে কিছুই জানি না।

চাঁদা আদায়ের বিষয়টি জানতে চাইলে পবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সোহরাব হোসেন এ প্রতিবেদককে বলেন, চাঁদার স্লিপ টা নিয়ে আমার সাথে দেখা করেন সাক্ষাতে কথা বলবো।

এ বিষয়ে রাজশাহী জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতারকে মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলে তিনি ফোন ধরেননি। তাই তাঁর কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Like Our Page