শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায়, চলবলা ইউনিয়ন বিএনপির দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম শান্তকে তারেক রহমানের উপহার ২০২৬ সালের রমজান কবে? ওমানে নিহত মা-ছেলেসহ ৩ বাংলাদেশির মরদেহ দেশে ফিরছে আজ বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন তারেক রহমান থাইল্যান্ডে আবারও ভেঙে পড়ল ক্রেন, নিহত ২ জুবিন গার্গ এর করুণ মৃত্যুর আসল কারণ জানাল সিঙ্গাপুরের পুলিশ নির্বাচনে কোনো ব্যত্যয় ঘটলে দেশের সার্বভৌমত্ব বিঘ্নিত হবে : দুদু মীরসরাই-সীতাকুন্ড সহ পুরো চট্টগ্রাম ব্যাপী ভুয়া সাংবাদিকদের দৌরাত্ম্য, উদ্বিগ্ন প্রশাসন ও প্রকৃত সংবাদকর্মীরা অশালীন’ পরামর্শ দিয়ে বিপাকে হানি সিং

শীতকালে স্বাস্থ্য রক্ষায় কিছু খাবার

শীতকালে নতুন রোগ থেকে বাঁচতে খাদ্য তালিকায় যুক্ত করতে হবে তাজা ফলমূল ও শাক-সবজি। বিশেষ করে শীতে আমাদের দেশে সবচেয়ে বেশী বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজি পাওয়া যায়। আর এগুলো দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় রাখলেই শীতে স্বাস্থ্য রক্ষায় সহায়ক হবে।

আসুন তাহলে জেনে নেয়া যাক খাবারগুলো কি কি-

তাজা ফলমূল ও শাক-সবজি: ফল ও শাক-সবজি প্রাকৃতিকভাবে ভিটামিন ‘এ’, খনিজ ও ফাইটোকেমিক্যাল সরবরাহ করে, যা সংক্রমণের প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে। এ জন্য বেছে নিতে পারেন ফুলকপি, বাঁধাকপি, শিম, শসা, ব্রকোলি, শালগম, বিভিন্ন ধরনের শাক ইত্যাদি।

লাইকোপেনসমৃদ্ধ খাবার: লাইকোপেনসমৃদ্ধ খাবারগুলোতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে বেশি, যা দেহের ক্ষতিকর ফ্রি র‌্যাডিক্যাল থেকে রক্ষা করে। এ জন্য বেশি করে টমেটো, গাজর, লাল চেরি, লালশাক ইত্যাদি খাওয়া উচিত।

ভিটামিন ‘সি’: অসুস্থতার তীব্রতা হ্রাস ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ভিটামিন ‘সি’। এই করোনাকালে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর দিকে সবার নজর দেওয়া খুব জরুরি। এ জন্য খাওয়া যেতে পারে সাইট্রাসযুক্ত ফল লেবু, আমড়া, আমলকী, জলপাই, কমলা ইত্যাদি।

জিংক : ইমিউন সিস্টেম সচল রাখতে বেশ কার্যকর ভূমিকা রাখে জিংক। এ জন্য খাওয়া যেতে পারে দুধ, ডিম, লাল মাংস, মটরশুঁটি, বাদাম, গোটা শস্যদানা ইত্যাদি জিংকসমৃদ্ধ খাবার।

ভিটামিন ‘ডি’ : শীতকালে সূর্যের আলো প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায় না। ফলে দেহে ভিটামিন ‘ডি’র ঘাটতি হতে পারে, যা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলতে পারে। এ জন্য খাওয়া যেতে পারে ডিম, কমলার রস, মাশরুম, চিজ, পনির, ঘি, বাটার, তিল, দুধ ইত্যাদি।

পানি : শীতকালে হাইড্রেট থাকা খুব জরুরি। তা না হলে দেহ পানিশূন্য হয়ে স্বাস্থ্য সমস্যা তৈরি করতে পারে। এ জন্য খেতে হবে পর্যাপ্ত পানি। এর পাশাপাশি খাওয়া যেতে পারে বিভিন্ন রসালো ফল, যেমন : কমলা, আঙুর, স্ট্রবেরি, তরমুজ, বিভিন্ন সবজির স্যুপ ইত্যাদি।

মসলা : দেহের ভেতর উষ্ণতা রাখতে গরম খাবারের পাশাপাশি মসলাজাতীয় খাবারদাবার থাকা বেশ জরুরি। এসব খাবার পেশিগুলোকে অভ্যন্তরীণভাবে উষ্ণ রাখে। এ জন্য খেতে হবে আদা, রসুন, কাঁচা মরিচ, হলুদ, দারচিনি ইত্যাদি।

হরমোনের তারতম্য রক্ষায়ঃ শীতের সময় দেহে সেরোটোনিনের মাত্রা কমে যেতে পারে। পাশাপাশি দীর্ঘ সময় ধরে কম সূর্যের আলোর অভাবে ঘুমের হরমোন ‘মেলাটোনিন’ বেশি উৎপাদিত হয়। তখন ক্লান্তি বা অলসতা বেড়ে যেতে পারে। এ জন্য দৈনন্দিন খাবারের পাশাপাশি খাওয়া উচিত বাদাম, আস্ত শস্যদানা, মিষ্টি আলু, বিট, স্কোয়াশ, সূর্যমুখীর বীজ ইত্যাদি খাবার।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Like Our Page