বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায়, চলবলা ইউনিয়ন বিএনপির দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম শান্তকে তারেক রহমানের উপহার ২০২৬ সালের রমজান কবে? ওমানে নিহত মা-ছেলেসহ ৩ বাংলাদেশির মরদেহ দেশে ফিরছে আজ বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন তারেক রহমান থাইল্যান্ডে আবারও ভেঙে পড়ল ক্রেন, নিহত ২ জুবিন গার্গ এর করুণ মৃত্যুর আসল কারণ জানাল সিঙ্গাপুরের পুলিশ নির্বাচনে কোনো ব্যত্যয় ঘটলে দেশের সার্বভৌমত্ব বিঘ্নিত হবে : দুদু মীরসরাই-সীতাকুন্ড সহ পুরো চট্টগ্রাম ব্যাপী ভুয়া সাংবাদিকদের দৌরাত্ম্য, উদ্বিগ্ন প্রশাসন ও প্রকৃত সংবাদকর্মীরা অশালীন’ পরামর্শ দিয়ে বিপাকে হানি সিং

মুলার এতো গুণ, জানলে অবাক হবেন

শীতকালীন সবজিগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো মুলা। অনেকে মুলার নাম শুনলেই নাক ছিটকান। মুলা নিয়ে প্রচলিত বিভিন্ন নেতিবাচক কানাঘুশা থাকলেও এর রয়েছে অসাধারণ কিছু গুণাবলি। নিচের উপকারিতগুলো যদি একবার কেউ জানতে পারেন তাহলে বাজারের তালিকা থেকে কখনোই বাদ পড়বে না এটি। আসুন জেনে নেই –

হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে

এই সবজিটিতে উপস্থিত ‘অ্যান্থোসায়ানিন’ নামক একটি উপাদান, শরীরে প্রবেশ করার পর এমন খেল দেখায় যে হার্টের ক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে সময় লাগে না। ফলে কোনও ধরনের হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা প্রায় থাকে না বললেই চলে।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে চলে আসে

মুলায় রয়েছে প্রচুর মাত্রায় পটাশিয়াম, যা রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই যাদের পরিবারে এই মারণ রোগের ইতিহাস রয়েছে, তারা রোজের ডায়েটে মুলাকে জায়গা করে দিতে ভুলবেন না যেন!

ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়

একাধিক স্টাডিতে এ কথা প্রমাণিত হয়ে গেছে যে নিয়মিত মুলার রস খাওয়া শুরু করলে শরীরে ভিটামিন সি, জিঙ্ক এবং ফসফরাসের মাত্রা এতটা বৃদ্ধি পায় যে এদের প্রভাবে ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটতে যেমন সময় লাগে না, তেমনি একাধিক ত্বকের রোগও ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। প্রসঙ্গত, মুলার পেস্ট মুখে লাগালেও কিন্তু সমান উপকার পাওয়া যায়।

ইমিউনিটির উন্নতি ঘটে

মুলা এবং তার পাতায় উপস্থিত আয়রন এবং ফসফরাস শরীরে প্রবেশ করার পর দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে এতটাই শক্তিশালী করে তলে যে কোনও রোগই ধারে কাছে আসতে পারে না। সেই সঙ্গে শারীরিক ক্লান্তিও দূরে পালায়।

কনস্টিপেশনের মতো রোগের প্রকোপ কমায়

আপনি কি কোষ্ঠ্যকাঠিন্যের সমস্যায় ভুগছেন? তাহলে তো মুলার রস আপনার রোজের সঙ্গী হওয়া উচিত। আসলে এতে উপস্থিত বেশ কিছু কার্যকরি উপাদান হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটানোর পাশাপাশি বাইলের প্রবাহ যাতে ঠিক মতো হয় সে দিকেও খেয়াল রাখে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই কনস্টিপেশনের প্রকোপ কমতে শুরু করে।

ভিটামিনের ঘাটতি দূর হয়

একাধিক স্টাডিতে দেখা গেছে, নিয়মিত মুলার পাতা খাওয়া শুরু করলে দেহের ভিতরে নানাবিধ ভিটামিনের পরিমাণ যেমন বাড়তে থাকে, তেমনি আয়রন, ক্যালসিয়াম এবং ফলিক অ্যাসিডের ঘাটতিও দূর হয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ছোট-বড় কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না।

ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানেরা বেরিয়ে যায়

ব্লাডার, কিডনি, প্রস্টেট এবং ডাইজেস্টিভ ট্র্যাকে জমে থাকা ক্ষতিকর উপাদানদের শরীর থেকে বের করে এই অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলোর কর্মক্ষমতা বাড়াতে মুলার কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। শুধু তাই নয়, শরীরের কোণায় কোণায় জমে থাকা টক্সিক উপাদানদের ক্ষতি করার আগে তাদের কডনির মাধ্যমে শরীর থেকে বের করে দেওয়ার কাজটাও করে থাকে মুলার রস। প্রসঙ্গত, শরীর যত টক্সিক মুক্ত থাকবে, তত স্কিনের ঔজ্জ্বলতা বাড়বে। সেই সঙ্গে শরীর এবং মন চাঙ্গা এবং রোগ মুক্ত থাকবে।

শরীরে ভিতরে প্রদাহের মাত্রা কমে

প্রচুর মাত্রায় অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান থাকায় প্রতিদিন যদি মুলার রস খাওয়া যায়, তাহলে দেহের ভিতরে চোট-আঘাতের কারণে হওয়া জ্বালা-যন্ত্রণা কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে ইউরিনারি ট্রাক্ট ইনফ্লেমেশন এবং কিডনির প্রদাহও কমে। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি একটি গবেষণায় দেখা গেছে কিডনি স্টোনের আশঙ্কা কমাতেও মুলার রস নানাভাবে সাহায্য করে থাকে।

অ্যাস্থেমার চিকিৎসায় কাজে

শ্বাস কষ্ট, সেই সঙ্গে হাঁচি-কাশিতে একেবারে জর্জরিত হয়ে পরেছেন? ফিকার নট! আজ থেকেই মুলার রস খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন কষ্ট কমে যাবে। আসলে মুলার রস, লাং-এ জমতে থাকা মিউকাসের দেওয়ালকে ভেঙে দেয়। ফলে অল্প দিনেই অ্যাস্থেমার প্রকোপ কমতে শুরু করে। এখানেই শেষ নয়, বমি ভাব, গলার ব্যথা এবং মাথা ঘোরার মতো সমস্যা কমাতেও এই প্রকৃতিক উপাদানটি সাহায্য করে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Like Our Page