বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৯:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
৫ মিনিটের ব্যবধানে সিলেটে দুইবার ভূমিকম্প পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির আহ্বান সেনাপ্রধানের নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ১৬ ডিগ্রিতে নামল ঢাকার তাপমাত্রা, বাড়ছে শীতের দাপট আমার ভোটে হাত দিলে খবর আছে: জামায়াত আমির চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ের বারইয়ারহাটে দু’ সন্ত্রাসী গ্রুপের সংঘর্ষ: ধারালো অস্ত্রাঘাতে নিহত ১, আহত ২০ নওগাঁ-(৪) মান্দা আসনে এনসিপির মনোনয়ন পেলেন ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল হামিদ কিশোরগঞ্জ-১ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পুনর্বিবেচনার দাবি ব্যারিস্টার আতীকুর রহমান আতিকের কাশিমপুরে বিজিবির যৌথ অভিযানে মাদক সম্রাজ্ঞী আঁখিসহ আটক ৮  সুন্দরগঞ্জে সরকারি কলেজের শিক্ষকদের সঙ্গে বিএনপির প্রার্থীর মতবিনিময়

খেজুর ও দুধ একসঙ্গে খেলে কী হয়?

আবহাওয়া পরিবর্তনের এই সময়ে আপনাকে খাবারের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি সচেতন হতে হবে। কারণ ভেতর থেকে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা গুরুত্বপূর্ণ। পুষ্টির শক্তি হিসেবে পরিচিত খেজুর এই মৌসুমি অসুস্থতা মোকাবিলায় একটি উপকারী খাবার হতে পারে। এর সুস্বাদু মিষ্টি স্বাদের পাশাপাশি রয়েছে অনেক উপকারিতা। খেজুর হজমশক্তি উন্নত করে এবং হৃদরোগ দূরে রাখে। সেইসঙ্গে কাজ করে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণেও। ঠান্ডা, কাশি এবং ফ্লুর জন্য এটি একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিকার হিসেবেও কাজ করে।
খেজুরের স্বাস্থ্য উপকারিতা

পাকা এবং শুকনো খেজুর উভয়ই ভিটামিন সি সমৃদ্ধ, যা একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এটি সংক্রমণের বিরুদ্ধে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে। এগুলি B1, B2, B3, B5 এবং A1 এর মতো প্রয়োজনীয় ভিটামিনও সরবরাহ করে। ডিকে পাবলিশিং হাউসের হিলিং ফুডস-এ উল্লেখ করা হয়েছে, খেজুর দীর্ঘদিন ধরে শ্বাসযন্ত্রের রোগের জন্য একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিকার। যা ইনফিউশন, নির্যাস, সিরাপ বা পেস্ট হিসেবে গ্রহণ করলে গলা ব্যথা, সর্দি এবং ব্রঙ্কিয়াল ক্যাটারহ থেকে মুক্তি দেয়। খেজুর ও দুধ একসঙ্গে খেলে মিলবে আরও অনেক বেশি উপকার।

খেজুর দুধের রেসিপি

তৈরি করতে যা লাগবে

২ কাপ দুধ

১/২ কাপ খেজুর (বীজ ছাড়ানো এবং কুচি করা)

দেড় টেবিল চামচ বাদাম

আধা চা চামচ দারুচিনি গুঁড়া

চিনি (স্বাদ অনুযায়ী) অথবা ১ টেবিল চামচ মধু

যেভাবে তৈরি করবেন

আধা কাপ দুধে, কুচি করা খেজুর প্রায় ৪০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন যাতে সেগুলো নরম হয়। ভেজানো খেজুর এবং দুধ একটি ব্লেন্ডারে ঢালুন। মিশ্রণে বাদামও যোগ করুন। ঘন না হওয়া পর্যন্ত ব্লেন্ড করুন। মিশ্রণটি একপাশে রাখুন। এবার অবশিষ্ট দুধ একটি পৃথক প্যানে ফুটিয়ে নিন।

দুধ ফুটতে শুরু করলে প্যানে খেজুর এবং বাদামের মিশ্রণ যোগ করুন। এই পর্যায়ে দারুচিনি এবং চিনি (অথবা মধু) মিশিয়ে নিন। মিশ্রণের উপকরণগুলো প্রায় ৫ মিনিট ধরে সেদ্ধ করুন, যাতে স্বাদগুলো একসাথে মিশে যায়।

এবার পরিবেশন গ্লাস বা মগে খেজুরের দুধ ঢেলে দিন। সর্বাধিক আরাম এবং স্বস্তির জন্য গরম গরম পরিবেশন করুন। এই উষ্ণ এবং পুষ্টিকর পানীয়টি কেবল সুস্বাদুই নয় বরং সাধারণ অসুস্থতা মোকাবিলার একটি প্রাকৃতিক উপায়ও। খেজুর, দুধ এবং মসলার মিশ্রণ একটি প্রশান্তিদায়ক এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিকারী পানীয় তৈরি করে। পরিবর্তিত আবহাওয়ায় সুস্থ থাকার জন্য এক গ্লাস খেজুরের দুধ উপভোগ করুন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Like Our Page