সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধের হুমকিতেও ইরান ভীত হবে না : পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না: ইসি চট্টগ্রাম বন্দরে আন্দোলনকারী ১৫ কর্মচারীর বাসা বরাদ্দ বাতিল করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ের আবু তোরাব স্কুল মাঠে ধানের শীষ’র নির্বাচনী সমাবেশ জনসমুদ্রে পরিনত ১০ ফেব্রুয়ারি শ্রমিকদের ছুটি নিয়ে নতুন নির্দেশনা প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আজ উপদেষ্টা ও সচিবদের বৈঠক নির্বাচনকালীন সাংবাদিকদের ভোটাধিকার নিশ্চিতের দাবিতে নির্বাচন কমিশনে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের স্মারকলিপি প্রদান চট্টগ্রাম বন্দরে আসার পথে থাইল্যান্ড উপকূলে ডুবল পণ্যবাহী জাহাজ রাজধানীতে শীতের হালকা আমেজ, সকালের তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রি ভোটের দিন প্রার্থী ও এজেন্টের যানবাহন চলাচলে ইসির যে নির্দেশনা

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জামায়াত নেতাকর্মীদের ঢল

সাত দফা দাবি নিয়ে রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জাতীয় সমাবেশে লাখ লাখ মানুষের ঢল নেমেছে।

সমাবেশ শুরু হবে শনিবার দুপুর ২টায়। তবে তার ৬ ঘণ্টা আগেই দলটির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উপস্থিতিতে প্রায় কানায় পরিপূর্ণ হয়ে গেছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান।

ভেতরে জায়গায় সংকুলান না হওয়ায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বাইরেও অবস্থান করছেন দলটির হাজার হাজার নেতাকর্মী।

দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে বাস, ট্রেন ও লঞ্চে করে আসা নেতাকর্মীরা রাজধানীতে এসে মিছিল সহকারে সমাবেশস্থলে প্রবেশ করছেন। নেতাকর্মীদের অনেকের হাতে তাদের দলীয় প্রতীক দাাঁড়িপাল্লা শোভা পাচ্ছে। দাঁড়িপাল্লা ও দলীয় মনোগ্রাম সম্বলিত টি-শার্ট, পাঞ্জাবি পরে এসেছে অধিকাংশ নেতাকর্মী।

জামায়াতের এই সমাবেশ সফল করতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান এলাকায় দায়িত্ব পালন করছে ২০ হাজারের মতো স্বেচ্ছাসেবক। ভোর থেকে থেকে সমাবেশ স্থলের আশপাশের কয়েক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিভিন্ন স্থানে স্বেচ্ছাসেবকরা দায়িত্ব বুঝে নিয়েছেন।

শনিবার ভোর থেকে হাইকোর্ট এলাকা, মৎস্যভবন, শাহবাগ এলাকার বিভিন্ন স্থানে দেখা গেছে, স্বেচ্ছাসেবকরা সবাই একই ধরনের পোশাক পরে বিভিন্ন স্পটে অবস্থান নিয়েছেন। তারা দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত নেতাকর্মীদের সহযোগিতা করছেন। কোন অঞ্চলের মানুষ কোন গেট দিয়ে প্রবেশ করবেন তা বুঝিয়ে দিচ্ছেন এসব স্বেচ্ছাসেবক।

যে সাত দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে জামায়াত এই জাতীয় সমাবেশের আয়োজন করেছে সেগুলো হলো- অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিতকরণ, সব গণহত্যার বিচার, প্রয়োজনীয় মৌলিক সংস্কার, ‘জুলাই সনদ’ ও ঘোষণাপত্র বাস্তবায়ন, জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবারের পুনর্বাসন, সংখ্যানুপাতিক (পিআর) পদ্ধতিতে জাতীয় নির্বাচন ও এক কোটিরও বেশি প্রবাসী ভোটারদের ভোটাধিকার নিশ্চিতকরণ।

বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এককভাবে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় সমাবেশ করছে জামায়াতে ইসলামী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Like Our Page