মাসুম রানা,(বিশেষ প্রতিনিধি):
রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়ি এলাকায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে বিমানবাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়ে প্রাণ হারান অভিভাবক রজনী ইসলাম। ওই মর্মান্তিক ঘটনার পর শোকাহত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল।
শনিবার (২৬ জুলাই) দুপুরে তিনি উত্তরার রূপায়ণ সিটি এলাকায় নিহত রজনীর বাসভবনে যান এবং স্বজনদের খোঁজখবর নেন। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে তিনি গভীর সমবেদনা জানান এবং প্রয়োজনে পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
রজনী ইসলামের স্বামী জহুরুল ইসলাম, কন্যা ঝুমঝুম (পঞ্চম শ্রেণি) ও পুত্র রুহান (ষষ্ঠ শ্রেণি)– সবাই এখনো শোকগ্রস্ত। পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দিয়ে হাবিব উন নবী খান সোহেল বলেন,
“আমাদের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা এখনও খুবই সীমিত। দুর্ঘটনার পর আলোচনা হয়, কিন্তু বাস্তবসম্মত ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ খুব একটা দেখা যায় না। এখনই সময় আমাদের প্রস্তুতির ঘাটতি পূরণ করার।”
তিনি আরও বলেন, “রজনীর মৃত্যু শুধু একটি পরিবারের নয়, গোটা সমাজের জন্যই অপূরণীয় ক্ষতি। মহান আল্লাহ যেন এই পরিবারকে এই কঠিন সময়ে ধৈর্য ধারণের শক্তি দেন।”
এ সময় সোহেলের সঙ্গে ছিলেন—
ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব মোস্তফা জামান,
স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম নোমান, কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট পরিচালনা পরিষদের সদস্য রাশেদ উল হক সরকার,
স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মহিরুল ইসলাম টিপু, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য রাফিদ সরকার নৈতিক, ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সোহাগ মাহমুদ এবং যুব নেতা তানভীর আহমেদ।
সকলেই নিহত পরিবারের প্রতি গভীর সহানুভূতি প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতেও পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।