বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
হাসনাত আব্দুল্লাহকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা নির্বাচনের দিন পুরো চট্টগ্রাম জুড়ে সাংবাদিকতার নামে নির্লজ্জ চাঁদাবাজির ঘটনায় নিন্দা ও ধিক্কার পুরো চট্টগ্রাম ব্যাপী জাল ভোট সহ দু’একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সমাপ্ত কয়েকটি আসনে অনিয়মের অভিযোগ জামায়াতের, স্থগিত করার দাবি বিয়ের সাজে ভোট দিলেন যুবক নীরব ঘাতক রোগ হাইপোগ্লাইসেমিয়া, সতর্ক থাকবেন যেভাবে গ্রিনল্যান্ডে সামরিক উপস্থিতি বাড়লে, কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি রাশিয়ার  আজ আমরা সম্পূর্ণরূপে নতুন বাংলাদেশ সৃষ্টির সুযোগ পেলাম : প্রধান উপদেষ্টা  ভোট দিলেন প্রধান উপদেষ্টা আশা করছি বিএনপি বিপুল ব্যবধানে জিতবে, ভোট দিয়ে তারেক রহমান

৬ হাজারের বেশি বিদেশি শিক্ষার্থীর ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র

ছয় হাজারের বেশি বিদেশি শিক্ষার্থীর ভিসা বাতিল করেছে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের আইন ভঙ্গ ও মেয়াদোত্তীর্ণ অবস্থায় থেকে যাওয়াসহ বিভিন্ন কারণে এসব ভিসা বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট।
মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ভিসাধারীরা হামলা, নেশাগ্রস্ত অবস্থায় গাড়ি চালানো, চুরিসহ নানা অপরাধে জড়িত ছিলেন। এ ছাড়া “সন্ত্রাসবাদে সহায়তা”র অভিযোগও তোলা হয়েছে।
বিবিসি বলছে, ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর অভিবাসননীতি ও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ওপর নজরদারির অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। যদিও “সন্ত্রাসবাদে সহায়তা” বলতে কী বোঝানো হয়েছে তা পরিষ্কার করেনি স্টেট ডিপার্টমেন্ট।

তবে ট্রাম্প প্রশাসন ফিলিস্তিনের পক্ষে প্রতিবাদে অংশ নেওয়া কিছু শিক্ষার্থীকেও লক্ষ্যবস্তু করেছে। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, তারা ইহুদি-বিরোধী আচরণ করেছে।
এদিকে বাতিল হওয়া ৬ হাজার ভিসার মধ্যে প্রায় ৪ হাজার আইন ভঙ্গের কারণে বাতিল হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়া আরও ২০০-৩০০ ভিসা বাতিল হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন আইনের ৩বি ধারা অনুযায়ী, যেখানে “সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ”কে মানবজীবনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বা আইন ভঙ্গকারী কর্মকাণ্ড হিসেবে বিস্তৃতভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।

এর আগে চলতি বছরই ট্রাম্প প্রশাসন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসা সাক্ষাৎকারের সময়সূচি স্থগিত করেছিল। জুনে সাক্ষাৎকার পুনরায় চালুর পর ঘোষণা দেওয়া হয়, অতিরিক্ত যাচাইয়ের জন্য আবেদনকারীদের নিজেদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট প্রকাশ করতে হবে।

তারা জানিয়েছিল, আবেদনকারীদের পোস্ট খতিয়ে দেখা হবে যে সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক, সংস্কৃতি, সরকার, প্রতিষ্ঠান বা মৌলিক নীতির প্রতি বিদ্বেষের কোনো ইঙ্গিত আছে কি না।

স্টেট ডিপার্টমেন্টের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, যারা বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠনকে সমর্থন, সহায়তা বা প্রচারণা চালায় কিংবা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি, অথবা বেআইনি ইহুদি-বিরোধী হয়রানি বা সহিংসতায় জড়িত তাদের শনাক্ত করতে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Like Our Page