সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধের হুমকিতেও ইরান ভীত হবে না : পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না: ইসি চট্টগ্রাম বন্দরে আন্দোলনকারী ১৫ কর্মচারীর বাসা বরাদ্দ বাতিল করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ের আবু তোরাব স্কুল মাঠে ধানের শীষ’র নির্বাচনী সমাবেশ জনসমুদ্রে পরিনত ১০ ফেব্রুয়ারি শ্রমিকদের ছুটি নিয়ে নতুন নির্দেশনা প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আজ উপদেষ্টা ও সচিবদের বৈঠক নির্বাচনকালীন সাংবাদিকদের ভোটাধিকার নিশ্চিতের দাবিতে নির্বাচন কমিশনে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের স্মারকলিপি প্রদান চট্টগ্রাম বন্দরে আসার পথে থাইল্যান্ড উপকূলে ডুবল পণ্যবাহী জাহাজ রাজধানীতে শীতের হালকা আমেজ, সকালের তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রি ভোটের দিন প্রার্থী ও এজেন্টের যানবাহন চলাচলে ইসির যে নির্দেশনা

চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকা মৌমিতা

নিজ জেলা পাবনার আরিফপুর কবরস্থানে শেষ ঠিকানা হলো জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জান্নাতুল ফেরদৌস মৌমিতা। শুক্রবার  রাতে দ্বিতীয় জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাত সাড়ে ৮টার দিকে কাচারিপাড়া জামে মসজিদে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর রাত ৯টার দিকে পাবনা সদর উপজেলার আরিফপুর কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এর আগে সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে তার মরদেহ বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স নিজ বাড়িতে পৌঁছালে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের জানুয়ারিতে মৌমিতার বিয়ে রেজিস্ট্রি হয়েছিল। পরিবার চেয়েছিল ধুমধাম আয়োজন করে মেয়েকে শ্বশুরবাড়ি পাঠাতে। কিন্তু সেই স্বপ্ন পূর্ণ হলো না। মাত্র ৩০ বছর বয়সেই সবাইকে কাঁদিয়ে বিদায় নিলেন তিনি।
মৌমিতা ছিলেন পাবনার বিশিষ্ট সাংবাদিক ও দৈনিক ইত্তেফাকের সাবেক প্রতিনিধি এবং পাবনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি রুমি খন্দকার ও পাবনা কলেজের সাবেক সহকারী অধ্যাপক লুৎফুন্নাহার পলির একমাত্র সন্তান।

১৯৯৫ সালে জন্ম নেওয়া জান্নাতুল ফেরদৌস মৌমিতা ছোটবেলা থেকেই মেধাবী শিক্ষার্থী ছিলেন। ২০০৯ সালে পাবনা সরকারি বালিকা বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ২০১১ সালে পাবনা মহিলা কলেজ থেকে গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হন। পরবর্তীতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে সেখান থেকে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। ২০২১ সালে তিনি চারুকলা বিভাগে প্রভাষক হিসেবে শিক্ষকতা শুরু করেন।

তার বাবা রুমি খন্দকার জানান, “নির্বাচনের দায়িত্ব শেষে রাতে বাড়ি ফিরে সকালে আবার ভোট গণনার কক্ষে যাওয়ার কথা ছিল মৌমিতার। কিন্তু কক্ষে প্রবেশের আগেই দরজার সামনে পড়ে যায় এবং সেখানেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। এর আগের রাতে আমার সঙ্গে কথা হয়েছিল। নির্বাচন নিয়ে খুব খুশিও ছিল।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Like Our Page