বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ইসির নতুন প্রজ্ঞাপন, ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিতে পারবেন যারা সরকারে গেলে যাত্রাবাড়ীতে ইপিজেড করা হবে : তারেক রহমান বিশ্বের দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় ১৩তম বাংলাদেশ আইসিসি-বিসিবির অনুরোধে ভারতের বিপক্ষে খেলবে পাকিস্তান, লাভবান হলো বাংলাদেশ প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে কমনওয়েলথ নির্বাচন পর্যবেক্ষক দলের সাক্ষাৎ ওসমান হাদির পরিবারকে ফ্ল্যাটের দলিল হস্তান্তর করলেন প্রধান উপদেষ্টা গাইবান্ধায় জেলায় ৬৭৫ ভোট কেন্দ্রের মধ্য ৩৭৯টি ঝুঁকিপূর্ণ ঢাকায় শুভ-মিমের ‘মালিক’ সিনেমার শুটিং শুরু ফেব্রুয়ারিতে আকাশে দেখা মিলবে বিরল ধূমকেতু মধ্যপ্রাচ্যে সব মার্কিন ঘাঁটি ইরানি মিসাইল রেঞ্জে, ট্রাম্পের না ভেবে উপায় নাই!

বিকল্প নেই, ফেব্রুয়ারিতেই ‘জাতির নবজন্মের’ নির্বাচন: প্রধান উপদেষ্টা

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক দলগুলো ঐক্যমতের পথে যে অগ্রগতি অর্জন করেছে তা শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, গোটা বিশ্বের জন্যই এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। তিনি স্পষ্ট করে জানান, জাতির সামনে আর কোনো বিকল্প নেই, আগামী ফেব্রুয়ারিতেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং সেটি হবে ‘জাতির নবজন্মের মহোৎসব।’

রোববার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের চলমান সংলাপে এ কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টা।

ড. ইউনূস বলেন, ‘শুরুতে যখন কমিশনের ধারণা এল, আমি নিশ্চিত ছিলাম না এটা টিকবে কি না। কিন্তু আজ দীর্ঘ পথ অতিক্রম করার পরে আপনাদের আলোচনা ও সিদ্ধান্তে আমি অভিভূত হয়েছি।’

কমিশনের অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে অন্য দেশগুলোও অনুসরণ করবে- এ কথা উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘এটা শুধু বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা হয়ে থাকবে না, সারা দুনিয়া লক্ষ করবে আমরা কীভাবে সমস্যার সমাধান করলাম।’

জাতির সামনে আর কোনো বিকল্প পথ নেই মন্তব্য করে প্রধান উপদেষ্টা জোর দিয়ে বলেন, ‘যে পথে আমরা শুরু করেছি, সেই পথ থেকে বের হবার কোনো সুযোগ নেই। এই সমতায় আমাদের আসতেই হবে। এটাই ছাত্র-জনতার দেওয়া সুযোগ, যেখান থেকে নতুন বাংলাদেশ গড়ে উঠবে।’
আগামী নির্বাচনের বিষয়ে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘আমরা বারবার বলেছি, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে, ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহেই নির্বাচন হবে। সেটি হবে মহোৎসবের নির্বাচন, যদি আমরা ঐকমত্যের মাধ্যমে ফয়সালা করতে পারি। এই নির্বাচন শুধু নির্বাচন নয়, এটি হবে জাতির নবজন্ম।’

‘জাতি সত্যিকার নবজন্ম হবে—এটা শুধু নির্বাচন না, এটা নবজন্ম। এই যে এত ত্যাগ, এত রক্ত—এগুলো সার্থক হবে যদি আমরা এই নবজন্মটা লাভ করতে পারি।’ যোগ করেন প্রধান উপদেষ্টা।

তবে বিভাজন বা দ্বিমতের কোনো স্থান নেই- এমন সতর্কবাক্য উচ্চারণ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা অনেক কথা বলতে পারি, কিন্তু দ্বিমত রেখে সমাপ্ত করতে পারব না। যখন ঐকমত্যে পৌঁছাব, তখনই নির্বাচন সার্থক হবে।’

অধ্যাপক ইউনূস উদাহরণ টেনে বলেন, ‘আমাদের হাতে এখন আলাদিনের প্রদীপের মতো সুযোগ এসেছে। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান সেই শক্তি এনে দিয়েছে। আমরা চাইলে ছোটখাটো বিষয় চাইতে পারি, আবার চাইলে পুরো জাতিকে নতুনভাবে গড়তে পারি। এই সুযোগ একবারই এসেছে, আর আসবে না।’রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন প্রধান উপদেষ্টা। ‘এত বড় কাজ আর কোনোদিন পাওয়া যাবে না। তাই ধৈর্য ধরে আমাদের এগোতে হবে। নির্বাচনের দিন পর্যন্ত আমাদের কাজ হলো—কোনো দ্বন্দ্ব ছাড়াই মহোৎসবের পরিবেশ সৃষ্টি করা।’

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Like Our Page