সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না: ইসি চট্টগ্রাম বন্দরে আন্দোলনকারী ১৫ কর্মচারীর বাসা বরাদ্দ বাতিল করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ের আবু তোরাব স্কুল মাঠে ধানের শীষ’র নির্বাচনী সমাবেশ জনসমুদ্রে পরিনত ১০ ফেব্রুয়ারি শ্রমিকদের ছুটি নিয়ে নতুন নির্দেশনা প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আজ উপদেষ্টা ও সচিবদের বৈঠক নির্বাচনকালীন সাংবাদিকদের ভোটাধিকার নিশ্চিতের দাবিতে নির্বাচন কমিশনে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের স্মারকলিপি প্রদান চট্টগ্রাম বন্দরে আসার পথে থাইল্যান্ড উপকূলে ডুবল পণ্যবাহী জাহাজ রাজধানীতে শীতের হালকা আমেজ, সকালের তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রি ভোটের দিন প্রার্থী ও এজেন্টের যানবাহন চলাচলে ইসির যে নির্দেশনা অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার কার্যক্রম নিয়ে বই প্রকাশ

রংপুরে ১০ বছরে আমনের আবাদ বেড়েছে ৬ লাখ মেট্রিক টন

রংপুর অঞ্চলে আমন ধানের আবাদ প্রতিবছরই বাড়ছে। গত ১০ বছরে আমনের আবাদ বেড়েছে ৩৭ হাজার হেক্টরের বেশি জমিতে। উৎপাদন বেড়েছে ৬ লাখ মেট্রিক টনের বেশি।
রংপুরে চলতি মৌসুমে আমন ধানের বাম্পার ফলনের আশা করা হচ্ছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রাও ছাড়িয়ে গেছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার আমন ধানের চাল উদ্বৃত্ত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করছেন কৃষি বিশেষজ্ঞরা। উদ্বৃত্ত চাল দেশের অন্য জেলার চাহিদা মেটাতে সহায়তা করবে।

রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালে রংপুর, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নীলফামারী ও গাইবান্ধা জেলায় আমন ধানের আবাদ হয়েছিল ৫ লাখ ৮৫ হাজার ৬১৩ হেক্টর জমিতে। উৎপাদন হয়েছিল ১৪ লাখ মেট্রিক টনের বেশি।
এবার আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৬ লাখ ২০ হাজার ৪৩০ হেক্টর জমিতে। লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে আবাদ হয়েছে ৬ লাখ ২১ হাজার ৫০৫ হেক্টর জমিতে। এই পরিমাণ জমি থেকে উৎপাদন হবে ২০ লাখ ১০ হাজার ৪০৫ মেট্রিক টন।
দেখা গেছে, গত ১০ বছরে উৎপাদন বেড়েছে ৬ লাখ মেট্রিক টনের ওপরে।

২০২৩ সালে রংপুর অঞ্চলের ৫ জেলায় আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬ লাখ ১৪ হাজার ৪০০ হেক্টর জমিতে। সেখানে আবাদ হয়েছিল ৬ লাখ ১৬ হাজার ৬৬২ হেক্টর। প্রতি হেক্টরে গড় উৎপাদন ধরা হয় ৩ মেট্রিক টনের কিছুটা বেশি।

প্রতি বছরই আমনের আবাদ বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে বৃষ্টি-নির্ভর এই ধানে কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টির দেখা পাননি এই অঞ্চলের কৃষকরা। ফলে সেচ দিয়ে আবাদ করতে হয়েছে। এতে উৎপাদন খরচ কিছুটা বেড়েছে।

কৃষিবিদ আবিদ করিম মুন্না বলেন, আমন ধান এই অঞ্চলের কার্তিকের মঙ্গা দূর করেছে। ফলে কার্তিক মাসেও কৃষকের মুখে হাসি থাকে। এখন পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় কৃষক ও কৃষি কর্মকর্তাদের মাঝে স্বস্তির ভাব দেখা গেছে।

রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক সিরাজুল ইসলাম বলেন, এই অঞ্চলের কৃষকদের মাঝে আমন ধান চাষে আগ্রহ বেড়েছে। তাই লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি ধান চাষ হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Like Our Page