পশ্চিমবঙ্গে দুর্গাপুরের গণধর্ষণের ঘটনা নিয়ে করা মন্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা হচ্ছে বলে দাবি করেছেন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বেশ কিছু সংবাদমাধ্যমকে এ জন্য দায়ী করেছেন তিনি।পাশাপাশি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তার বক্তব্যকে ‘খণ্ডিত’ না করারও আহ্বান জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের প্রধান।
ঠিক কী বলেছিলেন মমতা?কলকাতায় মমতা বলেন, “অনেক জায়গায় ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। সেখানে তাঁরা কেয়ার করে না। এমনকি নির্যাতিতাকে আদালতে যাওয়ার সময়ে রাস্তায় জ্বালিয়ে মেরে দেওয়া হয়।…আমরা এই ধরনের কোনও ঘটনাকে সমর্থন করি না। বাংলায় এই ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে।
কী নিয়ে বিতর্ক? তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন রাজ্যের ছেলেমেয়েরা এখানে পড়তে আসেন। তাঁদের আমি অনুরোধ করব, রাতের বেলা বাইরে না বের হতে।’ এই মন্তব্য নিয়েই শুরু হয় বিতর্ক। আসরে নেমে পড়ে বিরোধীরাও। পাশাপাশি পড়ুয়াদের নিরাপত্তার দায়িত্ব কেবল প্রাইভেট কলেজের উপরে কেন চাপিয়ে দেওয়া হলো, তা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। বিষয়টি নিয়ে বিজেপির কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলার চরম পতনের দায় মুখ্যমন্ত্রী এড়াতে পারেন না। আশ্চর্যের বিষয় হলো, এখনও তিনি বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজের উপর দোষ চাপিয়েছেন!’
উত্তরবঙ্গে গিয়ে কী বললেন মমতা?
বন্যা বিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে রোববার উত্তরের জেলা আলিপুরদুয়ার সফরে গিয়েছেন মমতা। জলদাপাড়া বনবিভাগের নীলপাড়া রেঞ্জে রিভিউ মিটিংয়ের পরে মমতা বলেন, “দমদম এয়ারপোর্টে আমি কিছু কথা বলেছি। আমার কথার ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। আপনাদের অনুরোধ করছি, আমাকে আপনারা প্রশ্ন করবেন, তার পরে আমার উত্তরের ভুল ব্যাখ্যা করবেন…আমি ভাত খাই পুরোটা না বলে বলছেন, শুধু আমি ভাত…। এ সব রাজনীতি আমার সঙ্গে করার চেষ্টা করবেন না। আমি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হই, অনেকে তো সামনাসামনিই আসে না।”