বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নির্বাচনের দিন পুরো চট্টগ্রাম জুড়ে সাংবাদিকতার নামে নির্লজ্জ চাঁদাবাজির ঘটনায় নিন্দা ও ধিক্কার পুরো চট্টগ্রাম ব্যাপী জাল ভোট সহ দু’একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সমাপ্ত কয়েকটি আসনে অনিয়মের অভিযোগ জামায়াতের, স্থগিত করার দাবি বিয়ের সাজে ভোট দিলেন যুবক নীরব ঘাতক রোগ হাইপোগ্লাইসেমিয়া, সতর্ক থাকবেন যেভাবে গ্রিনল্যান্ডে সামরিক উপস্থিতি বাড়লে, কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি রাশিয়ার  আজ আমরা সম্পূর্ণরূপে নতুন বাংলাদেশ সৃষ্টির সুযোগ পেলাম : প্রধান উপদেষ্টা  ভোট দিলেন প্রধান উপদেষ্টা আশা করছি বিএনপি বিপুল ব্যবধানে জিতবে, ভোট দিয়ে তারেক রহমান ফেনীতে ভোটকেন্দ্রে জোরপূর্বক অনুপ্রবেশের দায়ে বিএনপি–জামায়াতের ১৬ কর্মী আটক

চট্টগ্রামে ইসলামী আন্দোলনের নেতাকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে থানা ঘেরাও

এম, এ কাশেম, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :

চট্টগ্রামে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এক নেতাকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে পাঁচলাইশ থানা ঘেরাও করেন দলটির নেতা-কর্মীরা।
শনিবার (১ নভেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে সংগঠনটির শতাধিক নেতা-কর্মী থানার চারপাশে অবস্থান নেন। এ সময় তারা নানা ধরনের স্লোগান দিতে থাকেন।
পুলিশ জানায়, সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত থানার আশপাশে অবস্থান করে জিকির করেন তারা। এ সময় নেতাদের একটি অংশের সঙ্গে বৈঠকে বসে পুলিশ।
জানা গেছে, ইসলামী আন্দোলনের বাকলিয়া থানা সভাপতি সালাউদ্দিন আহমেদ সওদাগরকে শুক্রবার রাতে গ্রেপ্তার করে পাঁচলাইশ থানা পুলিশের একটি টিম। খবর পেয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শতাধিক নেতা-কর্মী দুপুর থেকে থানা ঘেরাও করে রাখেন। ধীরে ধীরে আরও নেতা-কর্মী সেখানে জড়ো হন। পরে সিএমপির পক্ষ থেকে পাঁচলাইশ থানার আশপাশে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
থানার পাশে অবস্থান নেয়া ইসলামী আন্দোলনের কর্মীরা জানান, চলতি বছরের মে মাসের একটি ঘটনায় দায়ের করা একটি মামলায় ইসলামী আন্দোলনের নেতা মোহাম্মদ ইজহারকে আসামি করা হয়। তাকে শুরু থেকে আওয়ামী লীগের নেতাদের সাথে ছবি দেখিয়ে ট্যাগ দেয়া হয়। শুক্রবার রাতে সে সব ছবি দেখিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি ওই মামলায় জড়িত নন। মূলত: ব্যবাসয়িক দ্বন্দ্বের কারণে একটি চক্রের যোগসাজশে তাকে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ততার অভিযোগে গ্রেপ্তার করানো হয়।
নেতা-কর্মীরা বলেন, এর আগে গত মে মাসে এসব বিষয়ে পুলিশের সাথে আলোচনা হয়েছে দলটির। উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে মামলাটি থেকে তাকে বাদ দেয়া হয়নি। পুলিশ যাচাই-বাছাই ছাড়া তাকে শুক্রবার রাতে গ্রেপ্তার করেছে। ওসি তাদের জানিয়েছেন, ওই নেতাকে ভুল করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং মামলায় জড়ানো হয়েছে।
পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সুলাইমান সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, একজন এজাহারনামীয় আসামিকে আমরা গ্রেপ্তার করেছিলাম। এখন ইসলামী আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা এসে দাবি করছেন তিনি তাদের দলের। ওসি বলেন, আমরা তাদের সব বুঝিয়ে বলেছি। আর গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এবং পরিস্থিতি এখন পর্যন্ত স্বাভাবিক রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Like Our Page