শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ০১:২০ পূর্বাহ্ন

লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা রোধে সিদ্ধান্ত গ্রহণে নারীর অংশগ্রহণ অপরিহার্য

যুদ্ধ, সংঘাত কিংবা যেকোনো সংকটকালীন পরিস্থিতিতে নারীরা সবচেয়ে বেশি সহিংসতা ও বৈষম্যের শিকার হন। এই বাস্তবতা থেকে উত্তরণে শান্তি, নিরাপত্তা ও মানবাধিকার সংরক্ষণের সব ক্ষেত্রেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নারীর সক্রিয় ও অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি—এমন অভিমত ব্যক্ত করেছেন ।
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ১৩২৫ নম্বর রেজুলেশন গ্রহণের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে সম্প্রতি  ঢাকার আগারগাঁওয়ে সমাজসেবা অধিদপ্তরের মধুমতি অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন।

ইউএন উইমেনের সহযোগিতায় বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। উদ্বোধনী পর্বে আরশি শিল্পগোষ্ঠীর নৃত্য পরিবেশনার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পুরুষতান্ত্রিক আধিপত্য, একপেশে গণতান্ত্রিক চর্চা, নারীবিদ্বেষী প্রচারণা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের কারণেই লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা টিকে আছে। এই সহিংসতা থেকে সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হলে নীতিনির্ধারণ ও শান্তি প্রতিষ্ঠার সব পর্যায়ে নারীর অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব রায়হান মাহমুদ হান্নান জানান, নারী, শান্তি ও নিরাপত্তাবিষয়ক জাতীয় কর্মপরিকল্পনা ২০১৯ সালে গৃহীত হলেও কোভিড-১৯ এর কারণে তা পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। তিনি বলেন, শান্তিরক্ষায় নারীর অংশগ্রহণকে ব্যয় নয়, বিনিয়োগ হিসেবে ভাবতে হবে।
সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. সাইদুর রহমান খান নারীর বিরুদ্ধে ঘৃণামূলক প্রচারণা ও সাইবার সহিংসতা বন্ধের আহ্বান জানান। পাশাপাশি বৈষম্যমূলক আইন বাতিল, জেন্ডার ও মানবাধিকার বিষয়ে সেবাদানকারীদের প্রশিক্ষণ এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় জেন্ডার দৃষ্টিভঙ্গি যুক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Like Our Page