নির্বাচনকালীন সরকারের উপদেষ্টা পদে থাকছেন না স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গণমাধ্যম ঠিকানায় গতকাল খালেদ মুহিউদ্দীন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এসে তিনি এ তথ্য জানান।
তাই প্রশ্ন উঠছে, উপদেষ্টার দায়িত্ব ছেড়ে আসিফ মাহমুদ কি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন? তিনিও কি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন কোনো দলের হয়ে?
সরকার থেকে সরে দাঁড়ানোর বিষয়ে আসিফ মাহমুদ বলেছেন, ২০১৮ সাল থেকে আমি রাজনীতিতে যুক্ত। তাই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই সরকার থেকে সরে যাবো।
তার সরকার থেকে সরে যাওয়ার বিষয়ে অনেকেই মনে করছেন আসিফ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
রাজনীতিতে আছে এমন কয়েকজন সরকারে আছে; মাহফুজ আলমসহ আরও কেউ যদি থাকেন এমন কারও নির্বাচনকালীন সরকারে থাকা উচিত নয় বলেও মনে করছেন আসিফ। কারণ হিসেবে ব্যাখ্যা দেন, প্রধান উপদেষ্টা জাতিকে সেরা নির্বাচন উপহার দিতে চান। তাই কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্টের প্রশ্ন যেন না আসে।
তবে তিনি কি জাতীয় নাগরিক পার্টিতে যোগ দেবেন, নাকি ভিন্ন পথে হাঁটবেন; সে বিষয়ে এখনও যথেষ্ট ধোঁয়াশা রয়েছে। কারণ এনসিপি এরই মধ্যে নানা কারণে সমালোচনার তীরে কিছুটা ক্ষতবিক্ষত হয়েছে। সে কারণেই অনেকে মনে করছেন, আসিফ সরাসরি এনসিপিতে যোগ না দিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করতে পারেন। তবে স্বতন্ত্র হলেও আসিফ এনসিপির পূর্ণ সমর্থন ও সহযোগিতা পাবেন বলেও মনে করছেন অনেকে। যদিও রাজনীতিতে শেষ বলে কিছু নেই। সময় হলেই হয়তো এর উত্তর পাওয়া যাবে। আসিফ মাহমুদ কি রাজনীতির মাঠে নামবেন নাকি গ্যালারিতে বসে দর্শকের ভূমিকা পালন করবেন?