শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কক্সবাজারে বিজিবির মানবিক উদ্যোগ: অসহায়দের বিনামূল্যে চিকিৎসা, অনুদান ও উপহার বিতরণ মীরসরাই সহ পুরো চট্টগ্রাম জুড়ে ফ্যাসিবাদ বিরোধী ও ফ্যাসিবাদের দোসর সাংবাদিকতা নিয়ে ক্ষোভ-বিক্ষোভ অব্যাহত প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান-কে নিয়ে কটুক্তির প্রতিবাদে দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে বিক্ষোভ মিছিল ও কুশপুত্তলিকা দাহ করেছে পৌর বিএনপি। ইবনে সিনা কোম্পানির শ্রমিক হত্যার বিচারের দাবীতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন। কক্সবাজারে বিজিবির অভিযানে ৫,৭০০ পিস ইয়াবাসহ ২ জন আটক ভালুকায় ভারতীয় ৯০ বোতল মদ ও প্রাইভেটকার সহ আটক -১ বোরো ধান কর্তনের মধ্য দিয়ে করিমগঞ্জে কৃষি মৌসুমের সূচনা চট্টগ্রামের মীরসরাইতে ভূঁইফোঁড় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের অবাধ ছড়াছড়ি, প্রকৃত সাংবাদিকদের মান বাঁচানো ও দায় হয়ে পড়েছে শ্রীপুরের মাওনা চৌরাস্তায় অবৈধভাবে গড়ে ওঠা দোকানপাটের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন আমি আওয়ামী লীগের সাথে জড়িত নই, সুতরাং দোসর হলাম কি ভাবে? এমন প্রশ্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র মনজুর আলমের?

ঋণের ‘ফাঁদ’ বানাচ্ছে চীন?

এই প্রকল্পকে বলা হচ্ছে একবিংশ শতাব্দীর ‘সিল্ক রোড’। এই প্রকল্পের ফলে সংযুক্ত হবে ৭০টিরও বেশি দেশ। এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের অনেকগুলো দেশ সংযুক্ত হবে এই নেটওয়ার্কে। সংযুক্ত দেশগুলোর জনসংখ্যা পুরো পৃথিবীর অর্ধেক। আর দেশগুলোর সম্মিলিত দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) পৃথিবীর চার ভাগের এক ভাগ। বুঝুন অবস্থা!

 

এর পোশাকি নাম ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’, উদ্যোক্তা চীন। সি চিন পিংয়ের দেশ বলছে, এটি বাস্তবায়িত হলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর অর্থনীতি ও যোগাযোগব্যবস্থার প্রভূত উন্নতি হবে। তবে শুরুর পাঁচ বছর পর এসে প্রশ্ন উঠছে—এটি কি উন্নয়নের পথ, নাকি ঋণের ফাঁদ? চীন এই প্রকল্প দিয়ে অন্যান্য দেশগুলোর উপকার করতে চাইছে, নাকি গলায় পরাতে চাইছে ফাঁস? নিন্দুকেরা বলছেন, ঋণের ফাঁদে ফেলে সংশ্লিষ্ট এলাকার আঞ্চলিক রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে চীন।

 

Eprothom Aloবেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ বাস্তবায়ন করতে আদতে কত খরচ হচ্ছে? গার্ডিয়ান জানাচ্ছে, ব্যয় হতে পারে এক লাখ কোটি ডলার। এরই মধ্যে ২১ হাজার কোটি ডলারের বেশি বিনিয়োগ করে ফেলেছে চীন, যার সিংহভাগই হয়েছে এশিয়ায়। আর এই প্রকল্পের কাজগুলো একচেটিয়াভাবে করছে চীনা নির্মাণ প্রতিষ্ঠানগুলোই। ফলে, নানা দেশের সঙ্গে করা চুক্তির ফলে লাভবান হচ্ছে চীন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Like Our Page