বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ১০:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের প্রতিবাদে বিরোধী দলের ওয়াকআউট ত্রয়োদশ সংসদের স্পিকার হলেন হাফিজ উদ্দিন আহমদ মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধে প্রাণ গেছে বা আহত হয়েছে অন্তত ১১০০ শিশু : ইউনিসেফ ঈদে ১৭ মার্চ থেকে দুটি নৌরুটে লঞ্চ-স্টিমার সার্ভিস চালু ইরান বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার পরিস্থিতিতে নেই : ক্রীড়ামন্ত্রী আঞ্চলিক যুদ্ধ শিগগিরই ‘নতুন পর্যায়ে’ প্রবেশ করবে, ইরানের হুঁশিয়ারি সংসদ অধিবেশনে ড. ইউনূস-জাইমাসহ আরো রয়েছেন যারা স্পিকার-ডেপুটি স্পিকারকে শপথ পড়ালেন রাষ্ট্রপতি আজ থেকে দেশে কাঙ্ক্ষিত গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু: প্রধানমন্ত্রী ছুটির দিনে জ্বালানি তেল নিয়ে সরকারের জরুরি নির্দেশনা

পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়ন ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প নেই: সুপ্রদীপ চাকমা

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়ন ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প নাই। সরকার পার্বত্য অঞ্চলে মানসম্মত শিক্ষা ও জীবনযাত্রার উন্নয়ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।
গতকার রাজধানীর মিরপুর শাক্যমুনি বৌদ্ধ বিহারে আয়োজিত কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আজ এসব কথা বলেন। উপদেষ্টা বলেন, এ বছর নভেম্বরের মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামের ১০০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ডিজিটালাইজড করা হবে।

ইতোমধ্যে অধিকাংশ স্থানে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম চালু করা হয়েছে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ডিজিটাল কার্যক্রম সম্পন্ন হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এ বছরের নভেম্বরের মধ্যে ১০০টি স্কুলে ডিজিটাল কার্যক্রম চালু করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে টেকসই উন্নয়নের জন্য মানসম্মত শিক্ষা অত্যন্ত জরুরি। তিনি বলেন, আমাদের পার্বত্য অঞ্চলের ছেলে মেয়েরা ভালো করছে, সুযোগ পেলে আরও ভালো করবে।

লাইভলিহুড ডেভেলপমেন্টকে দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডা হিসেবে উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়ন অপরিহার্য। পার্বত্য চট্টগ্রামে এখনো মানসম্মত স্কিম গ্রহণ করা হয়নি, তাই সংশ্লিষ্টদের বাস্তবসম্মত ও লাইভলিহুড ভিত্তিক স্কিম গ্রহণের নির্দেশ দেন উপদেষ্টা।

তিনি জানান, আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে সঠিক উদ্যোগ স্থানীয় অর্থনীতিকে সচল করতে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা আরও জানান, লাইভলিহুড ডেভেলপমেন্টে মোট বরাদ্দের ৪০% ব্যয় করা হবে এবং প্রকল্পের অর্থ যথাযথভাবে ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। পার্বত্য অঞ্চলের জন্য বরাদ্দকৃত ৫৩০ কোটি টাকা ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্টদের মাঝে যথাযথভাবে বণ্টন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Like Our Page