এম, এ কাশেম, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :
সাংবাদিকতার নামে চাঁদাবাজির মহোৎসব দেখা থেকে বঞ্চিত হইনি দীর্ঘ ১৭ বছর প্রতিক্ষার ফল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে।
প্রকৃত সাংবাদিক ব্যাতিরেকে যে হারে সাংবাদিকতার নামে নির্বাচন কমিশন থেকে জেলা প্রশাসক এর মাধ্যমে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করার কার্ড ইস্যু করা হয়েছে তাতে ওই সব কার্ড পাওয়া সাংবাদিক নামধারীদের দোষ দেয়ার আগে যারা কার্ড ইস্যু করছে তাদেরকে দোষারোপ করতে হবে।
যাই হোক নির্বাচন তো হয়েই গেলো, এখন যারা নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য যাদেরকে কার্ড দিয়েছে তাদের মধ্যে কয়জনে কোন্ পত্রিকায় নিউজ করে পত্রিকায় তার হিসেব টা ও একটু নেয়ার দরকার নির্বাচন কমিশন এর ওই সব কর্তাব্যক্তি এবং জেলা প্রশাসক এর কার্যালয়ে দায়িত্ব রত: ব্যাক্তিদের।
দেশের সর্ববৃহৎ/প্রধধান্য রাজনৈতিক দল বিএনপি’র একমাত্র মুখোপত্র দৈনিক ‘দিনকাল’ পত্রিকার, যে পত্রিকাটির সম্পাদক বিএনপি’র চেয়ারম্যান তারেক রহমান সেই দিনকাল পত্রিকার একজন প্রতিনিধি/ সাংবাদিক হওয়ার সুবাদে যদি ও বা আনিকটা হয়রানির কবলে পড়তে হয়েছে। তথাপি, নির্বাচন পর্যবেক্ষণের কার্ড পেয়ে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরতে গিয়ে দেখা যায়- সাংবাদিক নামধারী ব্যাক্তিরা যেনতেন নামি বেনামী পত্রিকা এবং ভিডিও সম্বৃদ্ধ অনলাইন পত্রিকা ও আইপি টিভি’র নামের লোগো লাগিয়ে মাইক্রো ফোন হাতে নিয়ে বিভিন্ন নেতা ও এলাকার বিভিন্ন লোকের সাক্ষাতকার নেয়ার নামে ব্যাপক হারে চাঁদাবাজির মহোৎসব চালিয়ে অঢেল টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। সাধারণত নেতা নামধারী ব্যাক্তি এবং সাধারণ মানুষ রা জীবনে কোনো দিন তাদের ওই সাক্ষাতকার কোনো পত্রিকা ডা কোনো টিভি চ্যানেল এ দেখতে পাবে না।
উত্তর চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলার বিভিন্ন কেন্দ্রে গিয়ে অনেকের মুখ থেকে ওই সব চাঁদাবাজির তথ্য সম্বৃদ্ধ বিষয়ে জানার পর নিজের কাছে ও সাংবাদিকতা পেশায় লজ্জায় মাথা নতো করে ফেলার অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।
এ সব বিষয়ে স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের কর্তাব্যক্তিরা একটু খবর নিয়ে দেখলে ভালো হয় বলে মনে করছেন অনেকেই।