এম, এ কাশেম, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :
সংযুক্ত আরব আমিরাত এর বিশিষ্ট ধর্নাঢ্য ব্যবসায়ী এবং বৃহৎ গ্রপ কোম্পানি ফখরুল ইসলাম খান (সিআইপি) এর গ্রামের বাড়ি উত্তর চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলার বারইয়ারহাট পৌরসভা এলাকায়।
তিনি নিজে ও আওয়ামী লীগ রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। আর সেই সুবাদে তিনি বিদেশ থেকে দলীয় নেতা-কর্মীদের জন্য কোটি কোটি টাকা খরচ করেন। এবং দলের জন্য নানাবিধ: ভাবে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে আসছিলেন।
কিন্তু, তার নিজের গ্রামের বাড়ি এলাকা বারইয়ারহাট পৌরসভা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার দলীয় মেয়র রেজাউল করিম খোকন এর সাথে তার কোনো এক অজ্ঞাত কারণে বনিবনা না হওয়ায় দেশ/গ্রামে আসতে পারেননি বেশ কয়েক বছর।
সূত্র জানায়, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে মীরসরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক সহ আরো কয়েকজন কে ব্যাক্তিগত ভাবে বিভিন্ন সহযোগিতা করার মাধ্যমে তাদেরকে সেই দেশে সফরের সুযোগীয় ব্যবস্থা ও করে দেন তিনি। তার পর ও তিনি দেশ/গ্রামে আসতে পারেননি।
প্রাসঙ্গিক ক্রমে তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইজবুক’র লাইভে এসে মেয়র খোকনের কারণে দেশে আসতে না পারার কথা তুলে ধরেন। এবং স্থানীয় কয়েকজন সংবাদ কর্মীর মাধ্যমে পত্র-পত্রিকায় ও তার সেই অভিযোগের কথা প্রকাশ করান।
কিন্তু, গত ৫ আগষ্ট আওয়ামী লীগ সরকার প্রধান শেখ হাসিনার পলায়ন এবং তৎ সরকারের পতন ঘটার পর তিনি মীরসরাইয়ে নের্তৃত্বে থাকা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলীয় নেতাদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেন।
এবং শেষোতক তিনি দেশ/গ্রামে আসার সুযোগ ও পান। এর পর তিনি একবার দেশ/গ্রাম-এলাকায় এসে ঘুরে ও যান।
আর শেষান্তে ওই ফখরুল ইসলাম খান (সিআইপি) এবারকার ঈদের সময় দেশ/গ্রাম-এলাকায় আসেন।
এবং সুযোগ বুঝে তিনি মীরসরাই থেকে নবনির্বাচিত বিএনপি’র এমপি নুরুল আমিন এর সাথে তার কার্যালয়ে গিয়ে সাক্ষাত করে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করে গাদ্যাহার ও গ্রহণ করেন।
দীর্ঘ বেশ কয়েক বছর পর তার ওই সোৎসাহি আগমন এবং অবাধ বিচরণ দেখে অনেকেই বিস্মিত হলেও কেউ কেউ প্রশ্ন রেখে বলছেন- এতো বছর তিনি দেশে আসলেন না বা আসতে পারলেন না কেনো?
বিএনপি’র এমপি নুরুল আমিন এর মানবিক স্বভাব সূলভতায় তিনি অনেক বছর পর দেশ/গ্রাম-এলাকায় এসে সোৎসাহিত অবাধ বিচরণের সুযোগ পেলেন? নাকি নেতা নামধারী কোনো ব্যক্তি বিশেষদেরকে মোটা অঙ্কের টাকায় ম্যানেজ করার কব্জায় এনে এমন আকস্মিক সূযোগ গ্রহণ করতে পারলেন?