ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক জটিলতাগুলোর একটি হলো হাইপোগ্লাইসেমিয়া। রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ স্বাভাবিকের নিচে নেমে গেলে এ অবস্থা তৈরি হয়, যা সময়মতো নিয়ন্ত্রণে না আনলে অচেতনতা এমনকি মৃত্যুঝুঁকিও তৈরি করতে পারে বলে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা।
চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায়, রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা প্রতি লিটারে ৪ মিলিমোলের নিচে নেমে গেলে তাকে হাইপোগ্লাইসেমিয়া বলা হয়। সাধারণভাবে খালি পেটে রক্তে শর্করার স্বাভাবিক মাত্রা ৬.১ মিলিমোল প্রতি লিটার এবং খাবারের দুই ঘণ্টা পর ৭.৮ মিলিমোল প্রতি লিটার থাকা উচিত।ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক জটিলতাগুলোর একটি হলো হাইপোগ্লাইসেমিয়া। রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ স্বাভাবিকের নিচে নেমে গেলে এ অবস্থা তৈরি হয়, যা সময়মতো নিয়ন্ত্রণে না আনলে অচেতনতা এমনকি মৃত্যুঝুঁকিও তৈরি করতে পারে বলে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা।
হাইপোগ্লাইসেমিয়ার লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত রক্তের গ্লুকোজ পরীক্ষা করার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। তা সম্ভব না হলে সঙ্গে সঙ্গে ১০ থেকে ১৫ গ্রাম গ্লুকোজ গ্রহণ করতে হবে। এক গ্লাস পানিতে আড়াই থেকে তিন চামচ চিনি গুলে পান করা, মিষ্টি, ক্যান্ডি বা চিনি মেশানো জুস খাওয়া যেতে পারে। ১৫ মিনিট পর আবার গ্লুকোজ পরীক্ষা করতে হবে। তবে রোগী যদি অচেতন হয়ে পড়েন, সে ক্ষেত্রে মুখে কিছু খাওয়ানো যাবে না। দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে শিরায় গ্লুকোজ দেওয়াই একমাত্র উপায়।