শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ০১:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাংলাদেশের জাহাজকে হরমুজ প্রণালী পার হতে দেওয়া হবে: ইরানের রাষ্ট্রদূত ইসরায়েলি হামলায় ১২ চিকিৎসাকর্মী নিহত ঈদে ফিরতি ট্রেনযাত্রা : আজ বিক্রি হচ্ছে ২৪ মার্চের টিকিট মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে দ্বিতীয় অস্ত্রোপচার সম্পন্ন ইমাম-মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের সম্মানী কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী আগামী কয়েক দিনে আরও কঠোর হামলা চালানো হবে : ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্য সংকট : আজও বাতিল ২৪ ফ্লাইট ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ১৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত, আজও হতে পারে বজ্রসহ বৃষ্টি গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ ডি.ডব্লিউ সরকারি কলেজে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেছেন মো. দেলোয়ার হোসাইন মাদকের বিরুদ্ধে পোস্ট করায় সাংবাদিক নাজিমুল ইসলাম নিরাপত্তাহীনতায়

ইরানের হামলায় সৌদিতে ৫ মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত

যুদ্ধ শুরুর পর গত ১৪ দিনে ইরানের হামলায় সৌদি আরবে বিধ্বস্ত হয়েছে মার্কিন বিমান বাহিনীর ৫টি যুদ্ধবিমান। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২ জন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিধ্বস্ত হওয়া ৫টি উড়োজাহাজই সৌদির মার্কিন বিমানঘাঁটি প্রিন্স সুলতান এয়ার বেইসের এবং সবগুলোও রি-ফুয়েলিং বিমান।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে গত কয়েক দিনে বিধ্বস্ত হয়েছে এই বিমানগুলো, তবে পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায়নি। উড়োজাহাজগুলো মেরামত করে পুনরায় ব্যবহার করা সম্ভব। এই ৫ বিমান বিধ্বস্তের সময় কেউ নিহত কিংবা আহত হয়নি বলেও জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

গত শুক্রবার ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলে বিধ্বস্ত হয়েছে মার্কিন বিমানবাহিনীর একটি কেসি-১৩৫ রি-ফুয়েলিং যুদ্ধ বিমান। চালক ও সহ-চালকসহ বিমানটিতে মোট ৬ জন ক্রু ছিলেন। তাদের মধ্যে চার জন নিহত হয়েছেন, বাকি দু’জনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।
উল্লেখ্য, আকাশে উড্ডয়নরত অবস্থায় যুদ্ধবিমানে জ্বালানি সরবরাহের জন্য রি-ফুয়েলিং বিমান ব্যবহার করা হয়। গত শতকের পঞ্চাশের দশক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনী নিয়মিত রি-ফুয়েলিং উড়োজাহাজ ব্যবহার করছে এবং এই উড়োজাহাজ মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর জন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।

তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও।
হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের ৬ দেশ সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্তর আরব আমিরাত, ওমানে অবস্থিত মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে দফায় দফায় ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা শুরু করে ইরান, যা এখনও চলছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Like Our Page