বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চট্টগ্রামের পতেঙ্গা এলাকায় কোস্টগার্ডের অভিযান ৭০ লাখ টাকার বিদেশি মদ জব্দ চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির বক্তপুরে সম্পত্তির লোভে স্বামীকে হত্যার চেষ্টা, স্ত্রী ও ছেলে মেয়ে গ্রেপ্তার শ্রীপুরে ঘোড়ার গোশতসহ আটক ১ রাজশাহীর দাওকান্দি কলেজে পুরুষ নির্যাতনকারী মহিলার অনেক গোপন তথ্য বেরিয়ে আসছে চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ের বাসিন্দা ডিবি কনস্টেবল জাহাঙ্গীর ১০ কোটি টাকার হেরোইন সহ ঢাকাতে আটক অস্ত্র গুলি ও ড্রোন সহ উগ্রবাদী সংগঠনের চার সক্রিয় সদস্য গ্রেফতার জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ উপলক্ষে ৭ মে ঢাকায় সাংবাদিক সমাবেশ জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ উপলক্ষে ৭ মে ঢাকায় সাংবাদিক সমাবেশ কক্সবাজারের ইনানীতে ৫০ কেজি গাঁজাসহ মাদক পাচারকারী আটক কলার প্রলোভনে শিশুকে ফাঁদে ফেলতে চেয়েছিল! সুন্দরগঞ্জে ধর্ষণচেষ্টা মামলায় অভিযুক্ত গ্রেফতার”

শীতে কাঁপছে লালমনিরহাটের মানুষ

উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা লালমনিরহাটে ঘন কুয়াশা ও ঠান্ডায় জেঁকে বসেছে শীত। দু’দিন ধরে সূর্যের দেখা মিলছে না। ফলে খেটে খাওয়া ও ছিন্নমূল মানুষ পড়েছে চরম বিপাকে। হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা। শীতবস্ত্রের অভাবে কষ্টে পড়েছে তিস্তা পাড়ের হতদরিদ্র, ছিন্নমূল ও স্বল্প আয়ের শ্রমজীবী মানুষ। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া লোকজন বাইরে বের হচ্ছেন না। শীতের দাপটে গ্রামাঞ্চলের অনেকেই আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন।
বুধবার (১ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বেলা ১১টা পেরিয়ে গেলেও সূর্যের দেখা মেলেনি।

রাজারহাট আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, সামনে শীতের প্রকোপ আরও বৃদ্ধি পাবে। ফলে ঠান্ডা ও কুয়াশা বাড়তে পারে।
এদিকে লালমনিরহাটের পাঁচ উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট ও অ্যাজমাজনিত রোগে ৭০ জন শিশু ও বৃদ্ধ ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

হাতীবান্ধার ভ্যানচালক এনামুল হোসেন বলেন, ঠান্ডায় কোনো লোকজন নেই, তাই ভ্যান নিয়ে বসে আছি। পরিবার চালানো অনেক কষ্টকর হয়ে দাঁড়াচ্ছে। ঠান্ডায় কাজকাম করা যায় না। হাত গুটিয়ে আসে। খুবই কষ্টের মধ্যে আছি আমরা। কষ্ট হলেও নিজের জীবিকার তাগিদে ভোরেই ভ্যান নিয়ে বের হতে হয়েছে। আজ অনেক বেশি ঠান্ডা পড়েছে। এত বেশি ঠান্ডায় অনেকেই ভ্যানে চড়তে চায় না। তবুও বের হয়েছি। পরিবার বাঁচানোর জন্য তো ভ্যান চালাতেই হবে।

হাতীবান্ধা মেডিকেল আবাসিক অফিসার আনারুল হক বলেন, কয়েকদিন শীত কম থাকলেও দু’দিন থেকে শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট ও অ্যাজমাজনিত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে শিশু ও বৃদ্ধরা আক্রান্ত হচ্ছে। এজন্য শিশু-বৃদ্ধের খেয়াল
রাখতে হবে, যাতে কোনো প্রকার ঠান্ডা না লাগে।

রাজারহাট আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন, এক মাস ধরে এ জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ থেকে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ওঠানামা করছে। সামনে তাপমাত্রা আরও কমে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Like Our Page