সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার কার্যক্রম নিয়ে বই প্রকাশ জানুয়ারিতে বিজিবির অভিযানে ১৩১ কোটি টাকার চোরাচালান জব্দ সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন নাহিদ ইসলাম ধানমন্ডিতে জোড়া খুনের মামলার রায় ১৭ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম বন্দরে আজ থেকে আবার অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি: কার্যক্রমে অচলাবস্থা চট্টগ্রামে ভোটের সব প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন: আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৪০ হাজার সদস্য মাঠে সুন্দরগঞ্জে ব্রিজ ভেঙে বাড়িতে নিলেন চেয়ারম্যান ইন্ডাস্ট্রি ইউনিভার্সিটি হলে শাকিব প্রিন্সিপাল: চিত্রনায়িকা বুবলী কারাদণ্ডের বদলে জরিমানার বিধান : ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা অধ্যাদেশ জারি জরুরি সভায় যোগ দিতে পাকিস্তান গেলেন বিসিবি সভাপতি

সুন্দরগঞ্জে ব্রিজ ভেঙে বাড়িতে নিলেন চেয়ারম্যান

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে নিলাম ছাড়াই দুই যুগ আগের একটি পুরোনো ব্রিজ ভেঙে অন্তত ৩০ হাজার ইট ও রড বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। ব্রিজটি ভাঙার ফলে যাতায়াত নিয়ে দুর্ভোগে পড়েছেন হাজারো মানুষ।

জানা গেছে, প্রায় দুই যুগ আগে উপজেলার ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নের ভেলার বাজার-দক্ষিণ রাজিবপুর-রাজনীতির বাজার রাস্তায় এই সেতুটি তৈরি করা হয়। এই পথ দিয়ে দিনরাত চলাচল করেন কয়েকটি গ্রামের হাজারো মানুষ।

ব্রিজটি ঝুঁকিপূর্ণ হলেও বিকল্প কোনো পথ না থাকায় চলাচল করতো রিকশা, ভ্যান, অটোরিকশাসহ নানা যানবাহন। কিন্তু সম্প্রতি সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোকলেছুর রহমান ব্রিজটি ভেঙে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।

প্রায় ২০ মিটার দৈর্ঘ্যের এই সেতুর ব্রীজটির উপরিভাগের পুরোটাই ভাঙার কাজ শেষ। এখন চলছে নিচের অংশ ভাঙার কাজ। ভাঙার পরে এসব ইট ও রড বাড়িতে নিয়ে গেছেন চেয়ারম্যান।

সেতু ভাঙার কাজে নিয়োজিত শ্রমিকরা জানান, চেয়ারম্যানের নির্দেশে আমরা কাজ করছি। আর ২-৩ দিন হলে ভাঙা শেষ হবে।

স্থানীয়রা বলছেন, চেয়ারম্যান নতুন করে ব্রিজ নির্মাণের কথা বলে নিলাম বা দরপত্র ছাড়াই গত কয়েক দিন ধরে শ্রমিক দিয়ে সেতুটি ভাঙ্গার কাজ শুরু করেন। আর সে সব ইট ও রড বাড়িতে নিয়ে গেছেন তিনি। আর কোনো রাস্তা না থাকায় রিকশা, ভ্যান নিয়ে সমস্যায় পড়েছেন তারা।

সেতু ভেঙে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে ধোপাডাঙা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোকলেছুর রহমান বলেন, এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে ওই স্থানে একটি নতুন ব্রিজ নির্মাণের প্রকল্প ধরা হয়েছে। তাই এটি ভাঙ্গা হচ্ছে। ভাঙ্গার অনুমতি আছে কি না তা জানতে চাইলে তিনি বলেন, কাগজ উপজেলা অফিসে আছে। পরে দেখানো হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঈফফাত জাহান তুলি বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Like Our Page