শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির কেন্দ্রীয় কাউন্সিলের সভাপতি জাফর সম্পাদক ইমন সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির কেন্দ্রীয় কাউন্সিলের সভাপতি জাফর সম্পাদক ইমন চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে সন্ত্রাসী হামলায় ছাত্রদল নেতা নিহত, প্রতিবাদ এবং হত্যা কারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সড়ক অবরোধ এইমাত্র বনানীতে মর্মান্তিক বাস দুর্ঘটনায় দুইজন স্পটেই নিহত হয়েছেন জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ উপলক্ষে কর্মসূচী ঘোষণা জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ উপলক্ষে ৭ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা উখিয়ায় বিজিবির অভিযানে ৬০ লক্ষ টাকার ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার কামরাঙ্গীরচরে প্রিন্টিং কারখানায় আগুন, দ্রুত নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস নতুন এসপি মিজানুর রহমানের হাতে কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ, আইনশৃঙ্খলা জোরদারের প্রত্যাশা শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ শিশুদের হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬ এর উদ্বোধন,

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী দোসর সুন্দরগঞ্জ উপজেলা এনসিপি’র প্রধান সমন্বয়কারী লুৎফর রহমান বকসী

আহসান হাবীব শেখ,গাইবান্ধার (সুন্দরগঞ্জ) প্রতিনিধি:

সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের তালুক ফলগাছা গ্রামের বাসিন্দা লুৎফর রহমান বকসী—একাধারে দাদন ব্যবসায়ী এবং উপজেলা এনসিপি’র প্রধান সমন্বয়কারী।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালে আওয়ামী লীগের হাত ধরে সে রাজনীতিতে সক্রিয় হয় এবং পাশাপাশি সুদের ব্যবসা শুরু করে। পরবর্তীতে ২০১৮ সালের নির্বাচনে জাতীয় পার্টির এমপি ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী নির্বাচিত হলে সে আবার দলবদল করে জাতীয় পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয় হয়। ২০২২ সালে বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড নির্বাহী কমিটির নির্বাচনে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ভোটে হেরে সহ-সভাপতির পদে দায়িত্ব পালন করে।

কিন্তু দাদন ব্যবসার কারণে মানুষের সাথে সম্পর্ক খারাপ হওয়ায় আবারও খোলস বদলে ২০২৩ সালে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে যোগ দেয়। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মিসেস আফরোজা বারীর ব্যক্তিগত সহকারী ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুল্লাহ আল মেহেদী রাসেলের ছত্রছায়ায় সক্রিয় থাকে।

২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর নিজেকে আড়াল করতে আবারো এনসিপি’তে যোগ দিয়ে উপজেলা প্রধান সমন্বয়কারীর দায়িত্ব নেয়। এরপর থেকে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সরকারি অনুদান আত্মসাৎ, দাদন ব্যবসার টাকা উদ্ধারের নামে দাপট দেখানো এবং অসহায় মানুষের ভাতা থেকে টাকা কেটে নেওয়ার মতো কাজ করে যাচ্ছে।

স্থানীয় একজন জানান, তার শাশুড়ির প্রতিবন্ধী ভাতার প্রথম কিস্তি ১০,৫০০ টাকা তুলে লুৎফর বকসী ভুক্তভোগীকে মাত্র ১,৫০০ টাকা দেয়। ভুক্তভোগী বাকি টাকার দাবি করলে ভিডব্লিউবি আওতায় দুস্থ্য মাতার কার্ড করে দেয়ার নামে এবং এনসিপি’র কর্মী, সমর্থক খেয়েছে বলে দাবি করে সব টাকা গায়েব করে দেয়।

এটাই সুন্দরগঞ্জ এনসিপি’র প্রধান সমন্বয়কারী—যার মাঠে একজন কর্মী-সমর্থকও নেই, যার প্রধান কাজ সারাদিন সরকারি দপ্তরে গিয়ে সুযোগ-সুবিধা হাতিয়ে নেওয়া। না আছে কোন সাংগঠনিক কার্যক্রম এলাকায়। তবুও সে প্রধান সমন্বয়কারী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Like Our Page