শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে সন্ত্রাসী হামলায় ছাত্রদল নেতা নিহত, প্রতিবাদ এবং হত্যা কারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সড়ক অবরোধ এইমাত্র বনানীতে মর্মান্তিক বাস দুর্ঘটনায় দুইজন স্পটেই নিহত হয়েছেন জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ উপলক্ষে কর্মসূচী ঘোষণা জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ উপলক্ষে ৭ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা উখিয়ায় বিজিবির অভিযানে ৬০ লক্ষ টাকার ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার কামরাঙ্গীরচরে প্রিন্টিং কারখানায় আগুন, দ্রুত নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস নতুন এসপি মিজানুর রহমানের হাতে কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ, আইনশৃঙ্খলা জোরদারের প্রত্যাশা শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ শিশুদের হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬ এর উদ্বোধন, আগামী কাল থেকে শুরু হওয়া এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেয়া সকল পরিক্ষার্থীদের জন্য জিবিসি পরিবারের পক্ষ থেকে শুভ কামনা সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়নে মন্ত্রীর বক্তব্য ইতিবাচক: বিএমএসএফ

শেরপুরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শায়িত হলেন ফায়ার কর্মকর্তা নাঈম

শেরপুরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ফায়ার সার্ভিসের ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর খন্দকার জান্নাতুল নাঈমের দাফন সম্পন্ন হয়। টঙ্গীর সাহারা মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ হয়ে জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনিস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাতে নকলা উপজেলার গৌড়দার ইউনিয়নের খন্দকার বাড়ির পাশে পারিবারিক কবরস্থানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয় খন্দকার জান্নাতুল নাঈমকে। এর আগে বাড়ির পাশের মাঠে মরদেহে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানায় উপজেলা প্রশাসন ও ফায়ার সার্ভিস।

নাঈম ১৯৮৮ সালের ২৪ আগস্ট শেরপুরের নকলা উপজেলার পূর্ব লাভা গ্রামে জন্ম নেন। পড়াশোনা শেষে ২০১৬ সালের ২৪ আগস্ট তিনি যোগ দেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সে। দায়িত্ব পালন করেছেন মানিকগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রামসহ সর্বশেষ টঙ্গী ফায়ার স্টেশনে।
গত ২২ সেপ্টেম্বর টঙ্গীর সাহারা মার্কেটে আগুন নেভাতে গিয়ে কেমিক্যাল বিস্ফোরণে দগ্ধ হন তিনি। শরীরের ৪২ শতাংশ পুড়ে যায় তার। ২৭ সেপ্টেম্বর সকালে রাজধানীর বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

ঢাকায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর প্রাঙ্গণে প্রথম জানাজা শেষে মরদেহ নিয়ে আসা হয় টঙ্গী ফায়ার স্টেশনে। পরে রাত ৯টার দিকে গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে স্বজন, সহকর্মী ও শত শত এলাকাবাসীর কান্নায় ভারি হয়ে ওঠে পরিবেশ।
ফায়ার সার্ভিসের ময়মনসিংহ বিভাগের সহকারী পরিচালক পূর্ণ চন্দ্র মুৎসুদ্দী পিএফএম বলেন, অগ্নিকাণ্ডে মানুষের জীবন বাঁচাতে গিয়ে নিজের জীবন উৎসর্গ করলেন নাঈম। তিনি বেঁচে থাকবেন সহকর্মী ও দেশবাসীর হৃদয়ে। অগ্নিবীর খন্দকার জান্নাতুল নাঈমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছে ফায়ার সার্ভিসসহ সর্বস্তরের মানুষ। তার ছেলে যতদিন লেখা পড়া করবে ততদিন দিন সব দায়িত্ব আমাদের। তার পরিবার এবং বাবা-মা যে কোনো প্রয়োজনে আমি তার পরিবারের পাশে রয়েছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Like Our Page