বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ০৫:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের প্রতিবাদে বিরোধী দলের ওয়াকআউট ত্রয়োদশ সংসদের স্পিকার হলেন হাফিজ উদ্দিন আহমদ মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধে প্রাণ গেছে বা আহত হয়েছে অন্তত ১১০০ শিশু : ইউনিসেফ ঈদে ১৭ মার্চ থেকে দুটি নৌরুটে লঞ্চ-স্টিমার সার্ভিস চালু ইরান বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার পরিস্থিতিতে নেই : ক্রীড়ামন্ত্রী আঞ্চলিক যুদ্ধ শিগগিরই ‘নতুন পর্যায়ে’ প্রবেশ করবে, ইরানের হুঁশিয়ারি সংসদ অধিবেশনে ড. ইউনূস-জাইমাসহ আরো রয়েছেন যারা স্পিকার-ডেপুটি স্পিকারকে শপথ পড়ালেন রাষ্ট্রপতি আজ থেকে দেশে কাঙ্ক্ষিত গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু: প্রধানমন্ত্রী ছুটির দিনে জ্বালানি তেল নিয়ে সরকারের জরুরি নির্দেশনা

চট্টগ্রামে ইসলামী আন্দোলনের নেতাকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে থানা ঘেরাও

এম, এ কাশেম, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :

চট্টগ্রামে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এক নেতাকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে পাঁচলাইশ থানা ঘেরাও করেন দলটির নেতা-কর্মীরা।
শনিবার (১ নভেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে সংগঠনটির শতাধিক নেতা-কর্মী থানার চারপাশে অবস্থান নেন। এ সময় তারা নানা ধরনের স্লোগান দিতে থাকেন।
পুলিশ জানায়, সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত থানার আশপাশে অবস্থান করে জিকির করেন তারা। এ সময় নেতাদের একটি অংশের সঙ্গে বৈঠকে বসে পুলিশ।
জানা গেছে, ইসলামী আন্দোলনের বাকলিয়া থানা সভাপতি সালাউদ্দিন আহমেদ সওদাগরকে শুক্রবার রাতে গ্রেপ্তার করে পাঁচলাইশ থানা পুলিশের একটি টিম। খবর পেয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শতাধিক নেতা-কর্মী দুপুর থেকে থানা ঘেরাও করে রাখেন। ধীরে ধীরে আরও নেতা-কর্মী সেখানে জড়ো হন। পরে সিএমপির পক্ষ থেকে পাঁচলাইশ থানার আশপাশে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
থানার পাশে অবস্থান নেয়া ইসলামী আন্দোলনের কর্মীরা জানান, চলতি বছরের মে মাসের একটি ঘটনায় দায়ের করা একটি মামলায় ইসলামী আন্দোলনের নেতা মোহাম্মদ ইজহারকে আসামি করা হয়। তাকে শুরু থেকে আওয়ামী লীগের নেতাদের সাথে ছবি দেখিয়ে ট্যাগ দেয়া হয়। শুক্রবার রাতে সে সব ছবি দেখিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি ওই মামলায় জড়িত নন। মূলত: ব্যবাসয়িক দ্বন্দ্বের কারণে একটি চক্রের যোগসাজশে তাকে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ততার অভিযোগে গ্রেপ্তার করানো হয়।
নেতা-কর্মীরা বলেন, এর আগে গত মে মাসে এসব বিষয়ে পুলিশের সাথে আলোচনা হয়েছে দলটির। উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে মামলাটি থেকে তাকে বাদ দেয়া হয়নি। পুলিশ যাচাই-বাছাই ছাড়া তাকে শুক্রবার রাতে গ্রেপ্তার করেছে। ওসি তাদের জানিয়েছেন, ওই নেতাকে ভুল করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং মামলায় জড়ানো হয়েছে।
পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সুলাইমান সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, একজন এজাহারনামীয় আসামিকে আমরা গ্রেপ্তার করেছিলাম। এখন ইসলামী আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা এসে দাবি করছেন তিনি তাদের দলের। ওসি বলেন, আমরা তাদের সব বুঝিয়ে বলেছি। আর গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এবং পরিস্থিতি এখন পর্যন্ত স্বাভাবিক রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Like Our Page