এম, এ কাশেম, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :
দীর্ঘ মাসের পয মাস কমিটি বিহীন পড়ে রয়েছে উত্তর চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলা বিএনপি’র রাজনীতি। যার কারণে মীরসরাই উপজেলার নিকটবর্তী সীতাকুণ্ড উপজেলা, ফটিকছড়ি উপজেলা, ফেনীর সোনাগাজী ও ছাগলনাইয়া উপজেলায় দলের কেন্দ্র ঘোষিত দলের প্রতিষ্ঠাতা ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান’ এর আত্মার সাথে মিশে থাকা ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর মহান বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন কল্পে বিশাল র্যালী, সভা-সমাবেশ সহ প্রায় কিছু করা হলে ও শুধুমাত্র মীরসরাই উপজেলা বিএনপি’র পক্ষ থেকে ওই রকম কিছু-ই করা হয়নি! তবে, দলের একাংশের (মনোনয়ন পাওয়া নুরুল আমিন চেয়ারম্যান গ্রুপ) নেতা-কর্মীরা ধানের শীষ’ প্রার্থী নুরুল আমিন চেয়ারম্যান কে নিয়ে তার প্রতীক ধানের শীষ’ প্রচার-প্রচারণায় আনন্দ মুখোর অবস্থায় সময় কাটিয়ে গেলে ও দল এবং দলীয় কোনো কর্মসূচি পালনের দিকে কারো ভ্রুক্ষেপ নেই।
আর নুরুল আমিন চেয়ারম্যান এর এন্ট্রি গ্রুপের নেতা নুরুল আমিন, শাহিদুল ইসলাম চৌধুরী ও আবদুল আউয়াল চৌধুরীর পক্ষ থেকে ও কোনো ধরনের তৎপরতা চোখে পড়েনি ৭ নভেম্বর শুক্রবার। ওরা ৩ জন ও দলীয় ভাবে মনোনয়ন পাওয়ার প্রত্যাশি ছিলেন। কিন্তু, দলীয় ভাবে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে নুরুল আমিন চেয়ারম্যানকে। আর সেই কারণে তাদের এই পিছুটান কী না বলা যাচ্ছে না।
অবশ্য, গত মাস দু’এক পূর্বে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা কমিটি বিলুপ্ত করে দেয়ার পর অটোমেটিকলী মীরসরাই উপজেলা বিএনপি’র কমিটি ও বিলুপ্ত হয়ে যায়। নয়তো মীরসরাই উপজেলা বিএনপি’র আহবায়ক আবদুল আউয়াল চৌধুরী এবং সদস্য সচিব আজিজুর রহমান চৌধুরী ও বা কেনো নিস্তেজ হয়ে পড়ে রইলো ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন করা থেকে?
তবে-দলের হাইকমান্ড, এমন কি দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর নির্দেশক্রমানুসারে দলীয় ভাবে যাকে মনোনয়ন দেয়া হবে এবং হয়েছে ও তার পক্ষে অন্তত: ধানের শীষ’ কে বিজয়ী করার জন্য সবাইকে এক হয়ে কাজ করে যাওয়ার কথা বলা হলে ও কিন্তু মীরসরাইতে তা এখনো অনুপস্থিত।
মনে করা হলে ও কিন্তু মীরসরাই উপজেলা বিএনপি’র রাজনীতিতে হিমশীতল ভাব এখনো কাটেনি। মিট হয়নি দলীয় কোন্দল-গ্রুপিং। যার প্রভাব নির্বাচনকালীন ব্যাক্তি নয় দলীয় প্রতীক ধানের শীষ’ ওপর পড়বে বলে মনে করছেন অনেকেই।