শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে সন্ত্রাসী হামলায় ছাত্রদল নেতা নিহত, প্রতিবাদ এবং হত্যা কারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সড়ক অবরোধ এইমাত্র বনানীতে মর্মান্তিক বাস দুর্ঘটনায় দুইজন স্পটেই নিহত হয়েছেন জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ উপলক্ষে কর্মসূচী ঘোষণা জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ উপলক্ষে ৭ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা উখিয়ায় বিজিবির অভিযানে ৬০ লক্ষ টাকার ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার কামরাঙ্গীরচরে প্রিন্টিং কারখানায় আগুন, দ্রুত নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস নতুন এসপি মিজানুর রহমানের হাতে কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ, আইনশৃঙ্খলা জোরদারের প্রত্যাশা শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ শিশুদের হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬ এর উদ্বোধন, আগামী কাল থেকে শুরু হওয়া এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেয়া সকল পরিক্ষার্থীদের জন্য জিবিসি পরিবারের পক্ষ থেকে শুভ কামনা সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়নে মন্ত্রীর বক্তব্য ইতিবাচক: বিএমএসএফ

মীরসরাইতে আওয়ামী গুন্ডা পান্ডাদের পৃষ্ঠপোষকতা দানকারী বিএনপি’র নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক চট্টগ্রাম  :

উত্তর চট্টগ্রামের মীরসরাইতে অতিত আওয়ামী গুন্ডা পান্ডাদের পৃষ্ঠপোষকতা দানকারী বিএনপি’র নেতা-কর্মী নামধারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি উঠেছে সর্বোত্র থেকে।
মীরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জ থানাধীন ২ নং হিঙ্গুলী ইউনিয়নের চিনকীরহাট এলাকার বিএনপি করনেওয়ালাদের সম্পর্কে অনেক অযাচিত তথ্য পাওয়া গেছে। আপাতত: সারাদেশের কথা বাদ, এমনকি-মীরসরাই উপজেলার অন্যান্য এলাকার কথা ও বাদ দিয়ে শুধুমাত্র চট্টগ্রাম ১ আসন মীরসরাই এর উক্ত চিনকীরহাট কেন্দ্র এবং তৎ এলাকার আজম নগর ও পূর্ব হিঙ্গুলী গ্রাম এলাকার যারা এখনকার সময়ে বিএনপি করি করি বলে খিস্তি খেউর আওড়িয়ে চলছে তাদের কাছে জানতে চাচ্ছেন অনেকে। -গত ৩০ ডিসেম্বর আতংকের নির্বাচনের দিন কে, কে ছিলা এলাকায়/চিনকীরহাট বাজারে এবং তৎ সংলাপ গ্রাম এলাকায়? হাতে গোনা দু’একজন ছাড়া কেউ ছিলো বলে বলতে পারবে না কেউ বুক ফুলিয়ে। কিন্তু, বিএনপি’র একমাত্র পত্রিকা ‘দৈনিক দিনকাল’ পত্রিকার সাংবাদিক এম, এ কাশেম ছিলাম এবং বার, বার হামলা, মামলা, লুটপাট এবং হুমকি-ধামকি সহ নানাবিধ: ভাবে নাজেহাল ও হয়েছিলেন তিনি! এবং নিজের চোখে দেখেছেন কারা, কারা কি করেছিলো সেই দিন (নির্বাচনের আগের সারারাত এবং দিন) চিনকীরহাট বাজারে ও চিনকীরহাট নির্বাচনী কেন্দ্রে এবং তৎ সংলগ্ন এলাকায়। অথচ, তারা এখন পূর্বেকার মতো বুক ফুলিয়ে বাজারে/বাড়িতে অবস্থান করে এবং রাস্তা ঘাটে অবাধে চলাফেরা করে যাচ্ছে! সাংবাদিক এম, এ কাশেম বিএনপি করেন এবং তার পুরো পরিবারের সদস্যরা বিএনপি’র। আর সে সুবাদে আওয়ামী সন্ত্রাসী-সক্যাডারদের চক্ষুশূলে পরিনত হয়েছিলেন তিনি। বেশি কিছু করার থাকলে ও কেবল মাত্র সাংবাদিকতা পেশায় থাকার সুবাদে তা করতে না পারলে ও একেবারে ছাড় ও দেয়নি তারা!
নির্বাচনের দিন সকালে সাংবাদিক এম, এ কাশেম পেশাগত কাজ (সাংবাদিকতা) এর উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে কেন্দ্রের কাছাকাছি শিকদার বাড়ির রাস্তার মাথায় পৌঁছা মাত্র- ই তার পথরোধ করা হয়। এবং উত্তেজিত হয়ে দুর্ব্যবহার করা হয় তার সাথে। কতোক্ষণ আটকিয়ে রাখার পর অন্যান্য সাধারণ মানুষের অনুরোধ এবং সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হস্তক্ষেপে ছাড়া পেয়ে যেতে সক্ষম হন্। যারা এই হেনো কাজ করেছিলো তখন তাদের মধ্যে দু’একজন পালিয়ে গেলে ও তাদের সহযোগী অন্যান্যদের কে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে এলাকায় বহাল তবিয়তে থাকতে! শুধু তাই নয়, এখনকার সময়ে বিএনপি’র নেতা-কর্মী পরিচয় দিয়ে সার্টের কলার ঢুলানোদের সাথে তাদেরকে হাস্যরসাত্মক ভাবে চলাফেরা করতে দেখে সাংবাদিক এম, এ কাশেম সহ দল নিবেদিত প্রাণ অন্যান্য সাধারণ নেতা-কর্মীদের মনে কষ্ট লাগছে। এবং তা লাগার- ই কথা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Like Our Page