এম, এ কাশেম, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :
উত্তর চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার বটতল নামক স্থানে ভয়াবহ এক সড়ক দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলে ৫জন এবং মেডিকেলে ১ জন মোট ৬ জন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন কমপক্ষে ২৫ জন।
সূত্র জানায়, ১৬ নভেম্বর (রবিবার) সন্ধ্যা সোয়া ৬ টার দিকে দ্রুত গামী যাত্রীবাহী একটি বাস অভারটেক করতে গিয়ে সড়কের পাশে দন্ডায়মান একটি ড্রাম ট্রাকের পিছনে সজোরে ধাক্কা দেয়। ধাক্কা খেয়ে
বাসটি দুমড়ে মুচড়ে যায়।
আহত ২৫ জনের মধ্যে ১২ জন কে গুরুতর অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (চমেক) এ নিয়ে ভর্তি করা হয়েছে। বাকীদের সীতাকুন্ডের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
দূর্ঘটনা কবলিত বাসের অপরাপর আহত যাত্রীরা জানায়, সীতাকুণ্ডের বটতল নামক স্থানে পৌঁছা মাত্র-ই বাসটির চালক একটি ড্রাম ট্রাকের পিছনে ধাক্কা লাগায়। মুহুর্ত্বের মধ্যে বাসটি দুমড়ে মুচড়ে উল্টে যায়। এতে বাসের যাত্রীরা রাস্তায় ছিটকে পড়ে। যাত্রীদের মধ্যে কারো হাত নেই, কারো পা নেই এবং অধিকাংশ যাত্রীর মাথায় প্রচন্ড আঘাতে প্রাপ্ত সহ শরীরের বিভিন্ন স্থান কেটে গিয়ে বের হওয়া রক্তে জামাকাপড় সহ পুরো শরীর লাল হয়ে যায়।
আহতদের মধ্যে নারী ও শিশু ও রয়েছে। স্থানীয় অধিবাসীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে এগিয়ে আসেন তাদেরকে উদ্ধারের জন্য। ঘটনার খবর পেয়ে কিছুক্ষণ পর সীতাকুণ্ড ফায়ার সার্ভিসের একটি গাড়ী ও পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে সীতাকুণ্ড হাসপাতালে পৌঁছে দেয়।
সীতাকুণ্ড স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দায়িত্ব রত: চিকিৎসক ডাক্তার সাজিদা জানান, দূর্ঘটনা করলিত আহতদের কে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় লোকজন সেখান থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসার পর আমরা বাহিরে থাকা চিকিৎসকদেরকে ও খবর দিয়ে এনে চিকিৎসা সেবা দিয়েছি এবং দিচ্ছি। চিকিৎসকগন প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ১২ জনকে চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করেন। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত হেড ইন্জুরী ১২ জন রয়েছে। সেখানে অনেকেরই হাত,পা কাটা,মাথায় গুরুতর যখম রয়েছে। অনেক রক্ত ঝরেছে শরীর থেকে। হাসপাতালে একজনকে মৃত ঘোষনা করেন।
চমেক হাসপাতালে প্রেরণকৃত রোগীদের কি অবস্থা এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত জানা য়ায়নি। চমেক হাসপাতালে প্রেরণকৃত গুরুতর আহতদের মধ্যে
অর্নব দেব (২০) পিতা: বিজয় দেব, অনন্তপুর বাড়বকুণ্ড, মোঃ রনি (৩৩), পিতা: গোলাম হোসেন, রিজভী (৩১), পিতা: ইব্রাহিম, চন্দনাইশ, রিংকু (২৮) , নয়ন (১৮), পিতা : সেন্টু সিকদার, জিপিএইচ, সীতাকুণ্ড, অর্নব, মিঠাছড়া, মীরসরাই, জাহাঙ্গীর আলম ফেনী। এরা সবাই হেড ইঞ্জুরী
বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
তবে, নিহতদের কারো নাম-পরিচয় জানা যায়নি।