এম, এ কাশেম, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :
উত্তর চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলাতে থাকা বিবদমান ২ টি প্রেসক্লাবের মধ্যে ১ টিতে থাকা সাংবাদিকরা মীরসরাইয়ের সর্বোত্র একের পর এক চুরি ডাকাতি সহ নানাবিধ: অপরাধ মুলক কর্মকাণ্ড ঘটতে থাকায় মানুষের উদ্বিগ্নতাকে পুঁজি করে তার থেকে উত্তরণের লক্ষ্য কি করা যেতে পারে তা নিয়ে নাকি আজকে আগামী নির্বাচনে চট্টগ্রাম ১ মীরসরাই আসন থেকে যারা এমপি প্রার্থী হয়েছেন তাদের মধ্যে থেকে ৫ জনকে নিয়ে একটা বৈঠকের আয়োজন করেছেন।
এই বৈঠকের আলোকে অনেকেরই জানার বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে যে, আসলে কি আজকের এই বৈঠকের পর মীরসরাই থেকে চুরি ডাকাতি সহ নানাবিধ: অপরাধ মুলক কর্মকাণ্ড বন্ধ হয়ে যাবে?
আবার অনেকে এ ও বলছেন-কেউ কারো নাম বলার দরকার নেই। তবে, এটা বলার দরকার যে, আজকে যেই সাংবাদিকরা যাদের কে নিয়ে বৈঠক করছেন তারা কি কেউ বলতে পারবেন ওই সব অপরাধ মুলক কর্মকাণ্ডের সাথে রাজনৈতিক দলের কোনো নেতা-কর্মীর সম্পৃক্ততা নেই? আর সাংবাদিকরা ও কি তা না জানেন? এবং তারা কি কখনো ওই সব অপরাধ মুলক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত কারো নাম-পরিচয় আজোব্দি তুলে ধরে ছিলো? সুতরাং, শুধু শুধু লোক দেখানো ওই সব বৈঠক ফৈঠক করে মানুষের কাছে সাংবাদিকতা পেশাকে আরো হাস্যরসে পরিনত করে চলেছে তারা।
আর সবাই এখন অধির আগ্রহের সাথে অপেক্ষা করে দেখবেন বলে জানিয়ে বলছেন- ববৈঠকে বসা ৫ এমপি প্রার্থী এবং ওই সব সাংবাদিকরা একত্রিত যেহেতু হয়েছে সেহেতু তাদের সহযোগিতায় পুলিশ সহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কি রকম রাখেন দেখার পালা। যদি আজকে রাতে মীরসরাই উপজেলার ১৬ টি ইউনিয়ন ও ২টি পৌপৌরসভা এলাকার কোথাও যদি কোনো চুরি ডাকাতি সহ নানাবিধ: কোনো অপরাধ মুলক কর্মকাণ্ড না ঘটে তাহলে বৈঠকের ফলপ্রসূ সম্পর্কে মানুষ থেকে সাধুবাদ পেতে থাকবেন। আর যদি পূপূর্বেকার মতো থেকে থাকে তাহলে সাধুবাদ এর পরিবর্তে নিনিন্দাবাদ ও থাকতে পারে যে তা বৈচিত্র ও নয়।