এম, এ কাশেম, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :
বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটি কর্তৃক মনোনয়ন তালিকায় চট্টগ্রাম ১১ আসনটি খালি রেখে ১০ এ মনোনয়ন দেয়া হয়েছিলো আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে। এবং চট্টগ্রাম ৪ সীতাকুণ্ড আসনে মনোনয়ন দেয়া হয়েছিলো কাজী সালাহ্ উদ্দিনকে। কিন্তু, শেষ পর্যন্ত চট্টগ্রাম ১১ আসন থেকে সরিয়ে চট্টগ্রাম ১১ খালি রাখা আসনটিতে চুড়ান্ত মনোনয়ন দেয়া হয়েছে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে। আর পূর্বে দেয়া আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সেই ১০ আসনে চুড়ান্ত মনোনয়ন দেয়া হয়েছে বিএনপি’র প্রতিষ্ঠা কালীন নেতা ও মৃত্যুপূর্ব দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান এর দায়িত্বে থাকা ও সাবেক মন্ত্রী মরহুম আব্দুল্লাহ্ আল নোমান এর পুত্র সাঈদ আল নোমানকে। অন্যদিকে চট্টগ্রাম ৪ সীতাকুণ্ড আসনে পূর্বে মনোনয়ন পাওয়া কাজী সালাহ্ উদ্দিনকে বাদ দিয়ে তদস্থলে চুড়ান্ত মনোনয়ন দেয়া হয়েছে দলের চেয়ারপার্সন এর উপদেষ্টা সদস্য আসলাম চৌধুরীকে।
সূত্র মতে- চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড ও চট্টগ্রাম নগরের আংশিক) ও চট্টগ্রাম-১০ (পাহাড়তলী-হালিশহর) আসনে প্রার্থী বদল করেছে বিএনপি। চট্টগ্রাম-৪ আসনে ও প্রার্থী বদল হয়েছে। এ আসনটিতে কাজী সালাহ্ উদ্দিনের পরিবর্তে আসলাম চৌধুরীকে মনোনয়ন দিয়েছে দলটি।
বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে চট্টগ্রাম-১০ আসন থেকে সরিয়ে চট্টগ্রাম-১১ আসনে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। আর চট্টগ্রাম-১০ আসনে নতুন করে প্রয়াত বিএনপি নেতা আব্দুল্লাহ আল নোমানের পুত্র সাঈদ আল নোমানকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে।
শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শামীম।
উল্লেখ্য, গত ৩ নভেম্বর ২৩৭টি আসনে প্রার্থীদের প্রাথমিক নামের তালিকা ঘোষণা করে বিএনপি। এর পর দ্বিতীয় দফায় আরও ৩৬টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে বিএনপি। এর মধ্যে কয়েকটি আসনে প্রার্থী পরিবর্তন ও রদবদল করেছে দলটি। বাকি আসন গুলোর মধ্যে এখন পর্যন্ত ১৪টি আসনে শরিক দলের প্রার্থীদের নামও ঘোষণা করা হয়েছে।
তবে, শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আর কোনো প্রার্থী অদলবদল হয় কী না সেই বিষয়ে নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।
দলের কয়েক জন নেতা জানান, এখনো মনোনয়ন পত্র জমা, বাছাই এবং প্রত্যাহার সহ অনেক কিছু-ই রয়ে গেছে। সুতরাং, দলের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারক তথা দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যেহেতু দেশে এসে পৌঁছেছেন সেহেতু তিনি-ই সব কিছু দেখভালো করবেন।