বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে সন্ত্রাসী হামলায় ছাত্রদল নেতা নিহত, প্রতিবাদ এবং হত্যা কারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সড়ক অবরোধ এইমাত্র বনানীতে মর্মান্তিক বাস দুর্ঘটনায় দুইজন স্পটেই নিহত হয়েছেন জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ উপলক্ষে কর্মসূচী ঘোষণা জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ উপলক্ষে ৭ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা উখিয়ায় বিজিবির অভিযানে ৬০ লক্ষ টাকার ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার কামরাঙ্গীরচরে প্রিন্টিং কারখানায় আগুন, দ্রুত নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস নতুন এসপি মিজানুর রহমানের হাতে কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ, আইনশৃঙ্খলা জোরদারের প্রত্যাশা শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ শিশুদের হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬ এর উদ্বোধন, আগামী কাল থেকে শুরু হওয়া এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেয়া সকল পরিক্ষার্থীদের জন্য জিবিসি পরিবারের পক্ষ থেকে শুভ কামনা সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়নে মন্ত্রীর বক্তব্য ইতিবাচক: বিএমএসএফ

মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা: ওমানে যাওয়ার পথে প্রাণ গেল ফটিকছড়ির সাকিব, মা ও বোনের জামাইয়ের

এম, এ কাশেম, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :

ওমানের সালালাহে পরিবার নিয়ে বেড়াতে যাওয়ার পথে গতকাল শুক্রবার ভয়াবহ এক সড়ক দুর্ঘটনায় চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির সুন্দরপুর ইউনিয়নের সাকিব, সাথে থাকা তার মা এবং তার বোনের জামাই নিহত হয়েছেন।
তার বোনের জামাই মোহাম্মদ দিদারুল আলম ফটিকছড়ি করোনেশন সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০১৩ ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থী ছিলেন।
এ দুর্ঘটনায় আরেকজন গুরুতর আহত অবস্থায় আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে।
দুর্ঘটনার আগে সামাজিক যোগাযো গমাধ্যম ফেইজবুকে পরিবারের হাসিমুখের ছবি শেয়ার করেন সাকিব। স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছিলেন-“পরিবার নিয়ে সালালাহর পথে, নবীয়ে কেরামগণের কবর জিয়ারাত ও সালালাহর সৌন্দর্য উপভোগের উদ্দেশ্যে।
যদিও বা সময়টা ছিলো অফ সিজন।
কিন্তু, সেই আনন্দ যাত্রা-ই মুহূর্তের মধ্যে রূপ নেয় গভীর শোকের।
মা ও বোনের জামাই সহ প্রবাস জীবনের এক স্মরণীয় সফর যে এভাবে মর্মান্তিক পরিণতি ডেকে আনবে তা কেউ কল্পনাও করতে পারেনি।
প্রবাসী মোহাম্মদ বাবর বলেন- সাকিব আমার খুব কাছের বন্ধু ছিলেন। গতকাল এ তার সাথে কথা হয়েছে। পরে তার বেড়ানোর খবর জানানোর পর সালালা থেকে ফেরার পথে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এমন হৃদয় বিদারক ঘটনা কোনো ভাবেই মানতে পারছিনা বলে তিনি কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন।
এ সড়কটাতে কত মানুষ প্রাণ হারিয়েছে তার ঠিক নাই। সড়কটা দিয়ে গাড়ি উঠার সময় বেশিরভাগ সময় অন্য গাড়ির সাথে ধাক্কা খায় বলে সেখানকার একটি মাধ্যম থেকে জানা গেছে।
সেলিম উল্লাহ সজিব নামে আরেকজন বলেন-দিদার আমাদের ক্লাসমেট ছিলো। অত্যন্ত ভালো মনের ছেলে ছিলো সে।
সবাইকে একদিন চলে যেতে হবে এই সুন্দর মায়াময় পৃথিবী ছেড়ে কিন্তু, এ ভাবে যে তাদেরকে চলে যেতে হবে তা ভাবনায় ও রাখিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Like Our Page