শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কক্সবাজারে বিজিবির মানবিক উদ্যোগ: অসহায়দের বিনামূল্যে চিকিৎসা, অনুদান ও উপহার বিতরণ মীরসরাই সহ পুরো চট্টগ্রাম জুড়ে ফ্যাসিবাদ বিরোধী ও ফ্যাসিবাদের দোসর সাংবাদিকতা নিয়ে ক্ষোভ-বিক্ষোভ অব্যাহত প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান-কে নিয়ে কটুক্তির প্রতিবাদে দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে বিক্ষোভ মিছিল ও কুশপুত্তলিকা দাহ করেছে পৌর বিএনপি। ইবনে সিনা কোম্পানির শ্রমিক হত্যার বিচারের দাবীতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন। কক্সবাজারে বিজিবির অভিযানে ৫,৭০০ পিস ইয়াবাসহ ২ জন আটক ভালুকায় ভারতীয় ৯০ বোতল মদ ও প্রাইভেটকার সহ আটক -১ বোরো ধান কর্তনের মধ্য দিয়ে করিমগঞ্জে কৃষি মৌসুমের সূচনা চট্টগ্রামের মীরসরাইতে ভূঁইফোঁড় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের অবাধ ছড়াছড়ি, প্রকৃত সাংবাদিকদের মান বাঁচানো ও দায় হয়ে পড়েছে শ্রীপুরের মাওনা চৌরাস্তায় অবৈধভাবে গড়ে ওঠা দোকানপাটের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন আমি আওয়ামী লীগের সাথে জড়িত নই, সুতরাং দোসর হলাম কি ভাবে? এমন প্রশ্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র মনজুর আলমের?

অভিনেতা প্রবীর মিত্রের মৃত্যুতে তথ্য উপদেষ্টার শোক

খ্যাতিমান অভিনেতা প্রবীর মিত্রের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম।
সোমবার (৬ জানুয়ারি) এক শোকবার্তায় তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

নাহিদ ইসলাম বলেন, প্রবীর মিত্র বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জগতের একজন স্বনামধন্য অভিনেতা ছিলেন। ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষ হিসেবে বাংলাদেশে তার সুখ্যাতি রয়েছে। তার মৃত্যু বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।
জানা গেছে, বেশ কিছু শারীরিক জটিলতা নিয়ে ১৩ দিন ধরে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন অভিনেতা প্রবীর মিত্র। শরীরে অক্সিজেন–স্বল্পতাসহ বেশ কিছু অসুস্থতায় গত ২২ ডিসেম্বর তাকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। পরে আজ চিকিৎসাধীন অবস্থায় খ্যাতিমান এই অভিনেতার মৃত্যু হয়।

প্রসঙ্গত, ১৯৬৯ সালে প্রয়াত এইচ আকবরের ‘জলছবি’ দিয়ে চলচ্চিত্র জগতে প্রবেশ প্রবীর মিত্রের। ১৯৮২ সালে তিনি বড় ভালো লোক ছিল চলচ্চিত্রের জন্য শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্রে অভিনেতা বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। ২০১৮ সালে আজীবন সম্মাননা বিভাগে তাকে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান করা হয়।
‘তিতাস একটি নদীর নাম’, ‘জীবন তৃষ্ণা’, ‘সেয়ানা’, ‘জালিয়াত’, ‘ফরিয়াদ’, ‘রক্ত শপথ’, ‘চরিত্রহীন’, ‘জয় পরাজয়’, ‘অঙ্গার’, ‘মিন্টু আমার নাম’, ‘ফকির মজনু শাহ’, ‘মধুমিতা’, ‘অশান্ত ঢেউ’, ‘অলংকার’, ‘অনুরাগ’, ‘প্রতিজ্ঞা’, ‘তরুলতা’, ‘গাঁয়ের ছেলে’, ‘পুত্রবধূ’সহ চার শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Like Our Page