এম, এ কাশেম, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :
সম্ভবত ১৯৯৬ সালেই হবে ছবির স্মৃতি জাগানিয়া এমন দুর্লভ বিষয়।
তবে, প্রায় ২৯-৩০ বছর আগের কথা বলে তারিখটা এই মুহুর্তে মনে না পড়ার- ই কথা।
ছবিতে প্রথম জন দুরাবস্থার সময়ের সাংবাদিক মুহাম্মদ ছায়েফ উল্লাহ্ (দৈনিক সংগ্রাম পত্রিকা) নারায়ন চর্মকার (তৎসময়ের দৈনিক আজকের কাগজ পত্রিকা), মোহাম্মদ হাসান (দৈনিক আজকের কাগজ), মাহবুবুর রহমান পলাশ (দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার চট্টমেলা পাতায় লেখক), মুহাম্মদ মহি উদ্দিন (দৈনিক কর্ণফুলী) এবং এ প্রতিবেদক এম, এ কাশেম (দৈনিক রূপালী ও দৈনিক দিনকাল)।
আজো মনে পড়ে সেই সময়কার অভাবগ্রস্ততায় থাকা সাংবাদিকতা পেশায় নিয়োজিত থাকার কথা। এমনও দিন গেছে টাকার অভাবে খেতে না পেরে সারাদিন উপোস থেকে দিনান্তির খবরাখবর সংগ্রহ করে পত্রিকায় ফ্যাক্সে নিউজ পাঠানোর জন্য নিজেদের মধ্যে থেকে তোলাতুলি করে টাকা সংগ্রহ করে একজনকে ফেনী অথবা চট্টগ্রাম পাঠানো হতো! এ ছাড়া অন্যান্য ফিচার নিউজ গুলো হাতে লিখে কন্টিনেন্টাল কুরিয়ার সার্ভিস (এজেন্ট ছায়েফ উল্যাহ) এ প্যাকেট করে পাঠানো হতো। কোনো কোনো সময় টাকার সংকটে বাকী ও রাখা হতো। আর দিন শেষে সন্ধ্যা-রাতে বাড়ি ফিরতে গাড়ি ভাড়ার টাকার অভাবে কারো কাছ থেকে হাওলাদ করে তার পর বাড়ি ফেরা হতো।
উল্লেখ্য না করলে নয় যে, সার্বিক বিষয়ে সাংবাদিক ছায়েব উল্লাহ্ যথেষ্ট সহযোগিতা ও করেছিলেন সবাইকে। অথচ, উত্তর চট্টগ্রামের মীরসরাইতে আজকের সাংবাদিকতা দেখলে অতিতের কথা মনে পড়ে যায়। যখন টাকার অভাবে সারাদিন উপোস থাকতে হতো আর এখন অনেক সাংবাদিক এর পকেটে হাত ডুকালেই ৫০০- ১০০০ টাকার নোট ও বের হয়! এবং অনেকে লাখপতি-কোটিপতি ও বনে গেছে!
অবশ্য, কারো প্রতি হিংসাত্মক মনোভাব নিয়ে এ সব কথা লিখা এবং বলা ও নয়। শুধু মাত্র আগেকার সাংবাদিকতা এবং এখনকার সাংবাদিকতার মধ্যে অ-নে-ক অনেক তফাৎ যে রয়েছে তা-ই বলা মাত্র।