এম, এ কাশেম, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :
উত্তর চট্টগ্রামের মীরসরাই স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সমাবেশে মীরসরাই বিএনপি’র রাজনীতিতে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বী গ্রুপিয় নেতা নুরুল আমিন চেয়ারম্যান ও নুরুল আমিন এবং শাহিদুল ইসলাম চৌধুরীর নের্তৃত্বাধীন এতোদিন পৃথক পৃথক ভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসলে ও ওই তিনজন আগামী নির্বাচনে দল থেকে মীরসরাই আসনে মনোনয়ন চেয়েছিলেন। এর বাইরে আরো একজন ছিলেন আবদুল আউয়াল চৌধুরী। কিন্তু, তাদের মধ্যে থেকে দলের কেন্দ্রীয় মনোনয়ন বোর্ড নুরুল আমিন চেয়ারম্যানকে-ই মনোনয়ন দিয়ে দেন। মনোনয়ন পাওয়ার পর নুরুল আমিন চেয়ারম্যান তার প্রথম পথসভায় প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়ে বলেছিলেন- আজ থেকে মীরসরাইতে চেয়ারম্যান গ্রুপ বলতে কোনো গ্রূপ থাকবে না। আজ থেকে চেয়ারম্যান গ্রুপ বিলুপ্ত ঘোষণা করে সবাইকে ধানের শীষ এর গ্রুপ হয়ে বিএনপি’র সম্মানিত চেয়ারপার্সন দেশ মাতা বেগম খালেদা জিয়া এবং দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান কে এই মীরসরাই আসনটি উপহার দেয়ার জন্য সবাই এক হয়ে ধানের শীষ এর বিজয়ের জন্য কাজ করে যাওয়ার আহবান জানিয়ে ছিলেন। তার সেই আহবানে সাড়ে দিয়ে অতিত সময়ে তার বিরুদ্ধাচরণ কারী অনেক নেতা-কর্মীকে তার পক্ষে কাজ করতে দেখা যায়। শেষোতক বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন কল্পে মীরসরাই স্টেডিয়ামে ১৩ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) বিকালে অনুষ্ঠিত সমাবেশে তার অতিত সময়ের তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বী গ্রূপিয় নেতা নুরুল আমিন ও শাহিদুল ইসলাম চৌধুরীর অনুসারী অনেক শীর্ষস্থানীয় নেতাদেরকে সমাবেশের মঞ্চে দেখা গেছে। এবং অনেক কর্মীরা ও সমাবেশে যোগ দিয়েছেন।
তবে, শীর্ষ গ্রুপিয় নেতা নুরুল আমিন, আবদুল আউয়াল চৌধুরী, শাহিদুল ইসলাম চৌধুরী এবং আজিজুর রহমান চৌধুরীকে দেখা যায়নি! শুধু উল্লেখিত নেতারাই নয় তাদের অনুসারী আরো বেশ কয়েকজন নেতা-কর্মীকে ও দেখা যায়নি। এতে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করতে দল থেকে মনোনয়ন পাওয়া নুরুল আমিন চেয়ারম্যান হতাশ না হয়ে বলছেন- অচিরেই সবাই ধানের শীষ এর পক্ষে চলে আসবেন যদি কী না দলকে ভালোবাসেন।