নিজস্ব প্রতিবেদক চট্টগ্রাম অফিস :
উত্তর চট্টগ্রামে সাংবাদিকতার নামে অপ সাংবাদিকতা থেকে দুরে ছিলেন/ আছেন এবং থাকতে ও চান সাংবাদিক এম, এ কাশেম।
তিনি দীর্ঘ ২৩ বছর পার করেছেন দৈনিক ‘দিনকাল’ পত্রিকার মীরসরাই-উত্তর চট্টগ্রামে দায়িত্ব রত: নিজস্ব প্রতিনিধি হিসেবে। এখনো আছেন কী না তা কেবল আল্লাহ-ই জানেন। নিউজ পাঠান তিনি/পাঠাচ্ছেন ও দৈনিক ‘দিনকাল’ পত্রিকায়। আর তা তো হরহামেশাই ‘দিনকাল’ পত্রিকায় আসছে। যেমন গতকাল/পরশু বা তার আগের কথা বাদ দিলে ও আজকে ও তো পত্রিকায় নিউজ এসেছে। তবে, তা আল্লাহর রহমত গুনে বলে মনে করেন তিনি। নয়তো শকুনের মতো সাংবাদিকতা পেশাযকে খামলে ধরে নীতি নৈতিকতার বাইরে থাকা কিছু ব্যাক্তি বিশেষ দৈনিক দিনকাল পত্রিকার ওপর ও কু’নজর ফেলতে দেখা যাচ্ছে!
কারণ, ইতোপূর্বে এক লম্পট কিছু দিন দৈনিক ‘দিনকাল’ পত্রিকার মীরসরাই প্রতিনিধি হিসেবে পরিচয় দিয়ে ধান্ধাবাজী করছে খবর পেয়ে তাকে শাসিয়ে সরিয়ে দেয়া হয়েছিলো। এর পর সাংবাদিকতার নাম ব্যবহার করা আরো এক চাঁদাবাজ-ধান্দাবাজ দৈনিক ‘দিনকাল’ পত্রিকার প্রতিনিধি/সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে অনৈতিক কর্মে লিপ্ত থাকার কথা জানতে পেরে তার মুখোমুখি হয়েছিলেন দৈনিক দিনকাল পত্রিকার নিজস্ব প্রতিনিধির দায়িত্ব রত: সাংবাদিক এম, এ কাশেম। কোনো সদুত্তর দিতে না পারায় তাকে ও আউট করতে পেরেছিলেন তিনি। ওই রকম আর কেউ থাকলে তাকে ও স্বাগত জানান দিয়ে বলেন তিনি- আসো মুখোমুখি হও, এবং সাংবাদিকতা কি ও কতো প্রকার তা জেনে/শিখে নাও।
বিএনপি’র একমাত্র পত্রিকা দৈনিক ‘দিনকাল’ পত্রিকা বর্তমানে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাহেবের সম্পাদনায় প্রকাশিত হচ্ছে যে, তা বিএনপি’র অধিকাংশ নেতা-কর্মীরা ও জানে না! যদি জানতো তাহলে তারা দৈনিক দিনকাল পত্রিকার প্রতি আকৃষ্ট হতো, ওই পত্রিকাকে গুরুত্ব দিতো এবং দিনকাল পত্রিকার প্রতিনিধি/সাংবাদিককে ও মুল্যায়ন করে যেতো।
বিগত ২৩ বছরের কথা বাদ, শেখ হাসিনার আওয়ামী সরকারের দীর্ঘ ১৭ বছর সাংবাদিক এম, এ কাশেম এর শরীরের ওপর দিয়ে কি রকম অবস্থা বয়ে গেছে
তা অন্যান্যরা তো জানেনই এবং মীরসরাইয়ের প্রায় সব সাংবাদিকরা ও জানেন। আর নীতি-নৈতিকতা বিসর্জন দিয়ে টাকা কামানোর ধান্ধায় না থাকার কারণে কি যে অভাবগ্রস্ততার মধ্যে দিন-রজনী পার করে আসতে হয়েছে তা ও একমাত্র আল্লাহ- ই জানেন।
সাংবাদিকতার নাম ব্যবহার করে দু’নম্বরী ধান্ধাবাজী করতে না পারার কারণে এখনো অভাবগ্রস্ততার মধ্যে থাকতে হচ্ছে তাকে। এতো কিছুর পরও সাংবাদিকতা পেশার ওপর কালিমার দাগ না পড়ুক এবং দৈনিক দিনকাল পত্রিকার সু’নাম অক্ষুন্ন থাকুক। আর সে নিরীখে সাংবাদিকতা পেশায় থেকে বাকী জীবন টা ও পার করে যেতে আল্লাহর রহমত চেয়ে সবার কাছে দোয়া কামনা করছেন সাংবাদিক এম, এ কাশেম।