এম, এ কাশেম, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :
চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সহ সম্পাদক এবং মীরসরাই উপজেলার ২ নং হিঙ্গুলী ইউনিয়নের গনকছড়া গ্রামের অধিবাসী ইফতেখার মাহমুদ জিপসন। বিগত ফ্যাসিবাদী আওয়ামী সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রামে দলের জন্য তার যথেষ্ট অবদান যে রয়েছে তা অস্বীকার করার যুক্তি নেই। তবে, সাম্প্রতিক সময়ে তার নের্তৃত্ব ভুমিকা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইজবুকে লেখালেখির মাধ্যমে কিছু বিভ্রান্তি ও ছড়ানো হচ্ছে বলে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে জানা গেছে।
ইতিমধ্যে তার নিজের গ্রাম এলাকা গনকছড়াতে ধানের শীষ এর সমর্থনে একটি সভায় তার প্রদত্ত বক্তব্য উল্টো পাল্টো করে তার বিরোধি কিছু কিছু মাধ্যম থেকে ছড়িয়ে তার ভাবমূর্তি বিনষ্ট করার চক্রান্ত চলছে বলে পাল্টা লিখনির মাধ্যমে কেউ কেউ তুলে ও ধরার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আবার বক্তব্য প্রদানকারী ওই যুবদল নেতা ইফতেখার মাহমুদ জিপসন নিজে ও এর ব্যাক্ষা দিয়ে লিখেছেন যে তা ও দেখা যাচ্ছে।
কিন্তু, কথা হচ্ছে- এতোই যদি দরদ লাগে দলের যে কোনো ভাই/বন্ধুর তাহলে জিপসন কে বলার দরকার মিথ্যা ভাবে তার বক্তব্য উপস্থাপন যারা করছে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করতে। এবং প্রতিবাদ ও করতে। তাছাড়া আওয়ামী মার্কা কিছু দালাল সাংবাদিক যাদের মধ্যে এখন অনেকেই বিএনপি এবং জামায়াতের হয়ে গেছে! তাদের সাথে তো ওর ভালো সখ্যতা রয়েছে বিধায় তাকে বলার দরকার তার সখ্যতা প্রিয় ওই সব সাংবাদিকদের দিয়ে পত্রিকায় নিউজ করাতে। দলীয় ছাড়া ও দলের পত্রিকার একজন সাংবাদিক হয়ে ও তার বা তার মতো এখনকার হম্ভতম্ভি নেতা-কর্মী নামধারীদর কাছে এ প্রতিবেদকের মূল্যায়ন না থাকলে ও কিন্তু দলীয় ভাই/বন্ধু হিসেবে অন্যদের থেকে তার জন্য টান টা যে আলাদা থাকার কথা এ প্রতিবেদকের তা কিন্তু সে ৫ আগষ্টের আগে বুঝতে পারার কারণে মনে রেখে চললে ও কিন্তু, ৫ আগষ্টের পর চোখে সর্ষ্য ফুল দেখার মতো অবস্থা হওয়ার কারণে এখন আর আগের মতো নয়!!!
অবশ্য, যুবদল নেতা ইফতেখার মাহমুদ জিপসন বলেন, আমার বক্তব্য টা ছিলো- “যারা বুকে অস্ত্র নিতে পারবে, অর্থাৎ যারা অস্ত্রের কাছে বুক পেতে দিতে পারবে, দলের প্রতি নিবেদিত প্রাণ, যাদের ঈমানী শক্তি আছে তাদের কে দিয়ে ধানের শীষ প্রতীকের কেন্দ্র কমিটি গঠন করা হবে”।
আর সেটাকে ভিন্ন ভাবে উপস্থাপন করে আমি ও আমার দলের সুনাম নষ্ট করার অপচেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, আমি এই রকম মিথ্যা, বানোয়াট ও কাল্পনিক সংবাদ প্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি ।
শেষ পর্যন্ত ওই যুবদল নেতা ইফতেখার মাহমুদ জিপসন কি সিদ্ধান্ত নিয়ে কি করেন তা দেখার অপেক্ষা পালা।