এম, এ কাশেম, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :
উত্তর চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে গত কয়েকদিন যাবত বিভিন্ন রাজনৈতিক দলীয় নেতা এবং এমপি প্রার্থী ও কতিপয় সাংবাদিকদের চুরি- ডাকাতি রোধকল্পে লোক দেখানো সভা ও মানববন্ধন সহ নানাবিধ: কর্ম তৎপরতার ফাঁকে গতকাল রাতে চোরেরদল চুরি করে নিয়ে গেলো বিক্রির জন্য রাখা কৃষকের সবজি-মুলা!সূত্রমতে, মীরসরাই উপজেলার সর্বোত্র গত কয়েক মাস যাবত লাগাতার চুরি ডাকাতি সহ নানাবিধ: অপকর্ম চলে আসছে। এতে গ্রাম্য এলাকার সাধারণ মানুষের মাঝে ভীতি ছড়িয়ে পড়েছে। এমনতর: মুহুর্তে মীরসরাই আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত এমপি প্রার্থী এডভোকেট সাইফুর রহমান মীরসরাই থানায় গিয়ে থানার ওসির সাথে বৈঠক করে তা রোধকল্পে কি করা যায় তা নিয়ে আলোচনা করেন। কিন্তু, ওসির সাথে তার কথপোকথনটি বিতর্কের জন্ম দেয়। এতে সারা মীরসরাই ব্যাপী ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার ও ঝড় বইতে থাকে। এমনকি তার বিতর্কিত বক্তব্য কয়েকটি পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। অবশ্য, তা তিনি মিথ্যা দাবি করে তার প্রতিবাদ ও করেন। এর পর মীরসরাইতে থাকা বিবদমান দুই প্রেসক্লাবের মধ্যে এক প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে মীরসরাইয়ে আগামী নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া ৫ এমপি প্রার্থীকে তা উত্তরণে কি করা যেতে তা নিয়ে মতবিনিময় সভার ও আয়োজন করা হয়। ওই দিন-ই বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে আওয়ামী লীগ নেতাদের গঠিত মীরসরাই নাগরিক পরিষদকে পাশ কাটিয়ে মীরসরাই নাগরিক সমাজ নামক একটি সংগঠনের ব্যানারে মীরসরাই সদরে মানববন্ধন ও করা হয়। আর এতে সাধারণ মানুষের ধারণা ছিলো এবার বুজি চুরি ডাকাতি সহ নানাবিধ: অপরাধ মুলক কর্মকাণ্ড বন্ধ হয়ে যাবে।
কিন্তু, মানুষের সেই আশায় ধুলো মিশিয়ে দিয়ে গতকাল রাতে এমন চুরির ঘটনা ঘটানো হয়েছে তা মীরসরাইয়ের অতিত ইতিহাস’র রেকর্ড ভঙ্গ করেছে। শুধু মীরসরাই-ই নয় সারাদেশের রেকর্ড ও মনে হয় ভঙ্গ করা ঘটনার জন্ম দেয়া হয়েছে।
গতকাল রাতে মীরসরাই উপজেলার ৩ নং
জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের নূরানী মসজিদের সামনে রাস্তার পাশে বিক্রি করার জন্য এক কৃষক ৯ খাঁচা মুলা রেখেছিলেন। কিন্তু, চোরের দলের দরকার টাকা কামানোর তাই তারা ওই কৃষকের উক্ত ৯ খাঁচা সবজি- মুলা ও চুরি করে নিয়ে যায় বলে দাবি করেছেন চুরি যাওয়া কৃষক এবং এলাকাবাসী সম্মিলিত ভাবে।
এখন সর্বমহলে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে যে, থানা পুলিশের ওসির সাথে বৈঠক করে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার তাগিদ দেয়া, গ্রুপিয় সাংবাদিকরা জ্ঞাতসার হয়ে ৫ দল থেকে ৫ এমপি প্রার্থীকে নিয়ে ওই সব ঘটনা থেকে উত্তরণ কল্পে করনিয় কি সম্পর্কিত মতবিনিময় এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মীরসরাই সদরে মানববন্ধন করার দিন রাতেই অতিত ইতিহাস’র রেকর্ড ভঙ্গ করা সবজি-মুলা চুরির ঘটনা পুরো মীরসরাইবাসীকে অতিব লজ্জা জনক অবস্থার মধ্যে ফেলে দিয়েছে।
সাধারণ মানুষ বলাবলি করছেন- চুরি ডাকাতি সহ নানাবিধ: অপরাধ মুলক কর্মকান্ডের সাথে কোনো না কোনো রাজনৈতিক দলীয় নেতা-কর্মী জড়িত থাকাটা অস্বাভাবিক বা অস্বীকার করার মতো নয়। কিন্তু, ৫ দল থেকে ৫ জন এমপি প্রার্থীকে নিয়ে মতবিনিময় করার মাধ্যমে তাদের জ্ঞাতসার করানোর পর ও কেনো এবং ভাবে চুরি ডাকাতি সহ নানাবিধ: অপরাধ মুলক কর্মকাণ্ড ঘটনা কি ভাবে ঘটে/ঘটতে পারে?