শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে সন্ত্রাসী হামলায় ছাত্রদল নেতা নিহত, প্রতিবাদ এবং হত্যা কারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সড়ক অবরোধ এইমাত্র বনানীতে মর্মান্তিক বাস দুর্ঘটনায় দুইজন স্পটেই নিহত হয়েছেন জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ উপলক্ষে কর্মসূচী ঘোষণা জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ উপলক্ষে ৭ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা উখিয়ায় বিজিবির অভিযানে ৬০ লক্ষ টাকার ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার কামরাঙ্গীরচরে প্রিন্টিং কারখানায় আগুন, দ্রুত নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস নতুন এসপি মিজানুর রহমানের হাতে কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ, আইনশৃঙ্খলা জোরদারের প্রত্যাশা শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ শিশুদের হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬ এর উদ্বোধন, আগামী কাল থেকে শুরু হওয়া এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেয়া সকল পরিক্ষার্থীদের জন্য জিবিসি পরিবারের পক্ষ থেকে শুভ কামনা সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়নে মন্ত্রীর বক্তব্য ইতিবাচক: বিএমএসএফ

১৭ মাস ধরে বেতনহীন ৬৬২ সিএইচসিপি: আমরণ অনশনে জীবনের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক :

সরকারি নিয়োগবিধি অনুযায়ী লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ২০১১, ২০১৫, ২০১৮ ও ২০২৩ সালে মোট চারটি ব্যাচে কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) নিয়োগপ্রাপ্ত হন। ২০২৪ সালের ১৫ই ডিসেম্বর পদটি প্রকল্প থেকে রাজস্ব খাতে স্থানান্তরিত হয়।

এরপর ২০১১, ২০১৫ ও ২০১৮ ব্যাচের সদস্যরা অপারেশনাল প্ল্যানে অন্তর্ভুক্ত হয়ে রাজস্বখাতে স্থায়ী নিয়োগ ও বেতন-ভাতা সুবিধা পেলেও, ২০২৩ ব্যাচের ৬৬২ জন সিএইচসিপি গত ১৭ মাস ধরে কোনো বেতন-ভাতা পাচ্ছেন না।

তারা প্রতিদিন অফিস করেছেন, মানুষের সেবা দিয়েছেন, কিন্তু মাস শেষে কোনো বেতন পাননি। এই অবিচারের প্রতিবাদে সারাদেশ থেকে আগত সিএইচসিপিরা গত ২ দিন ধরে মহাখালীর BMRC তে আমরণ অনশন কর্মসূচি পালন করছেন। তাদের দাবিগুলো একেবারেই সরল ও ন্যায্য:
গত ১৭ মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধ এবং নিয়োগের তারিখ থেকে চাকরির স্থায়ীকরণ।

কিন্তু কেন এই ব্যাচের প্রাপ্যতা স্থগিত রাখা হয়েছে — তার কোনো সুনির্দিষ্ট উত্তর আজও কেউ দিতে পারেননি।

গতমাসের ৪ নভেম্বর থেকে টানা ৮ দিন অবস্থান কর্মসূচি পালনের পর “স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মহোদয় তাদের জানিয়েছেন, ৩০ নভেম্বরের মধ্যে তাদের সকল সমস্যার সমাধান হবে। আন্দোলনকারীদের এর আগেও তিনবার এমন আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু বাস্তবে কিছুই হয়নি। এই নিয়ে তাদের ৪র্থ বারের মতো মিথ্যা আশ্বাস দেয়া হলো। তাই এবার তারা লিখিত ও কার্যকর পদক্ষেপ ছাড়া এই আমরণ অনশন থামাবেন না।এতে যদি তাদের মৃত্যুও হয়, তার জন্য তারা রাষ্ট্র কে দায়ী করবেন বলে জানিয়েছেন।

গত ১৭ মাসে অনেক সিএইচসিপি ঋণে ডুবে গেছেন, কেউ সন্তানদের স্কুল ফি দিতে পারছেন না, কেউ পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। অথচ তারা জনগণের পাশে থেকে নিরবচ্ছিন্নভাবে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।

একজন আমলার অনিচ্ছার কারণে ৬৬২টি পরিবার ভুক্তভোগী হতে পারে না। সরকারের কাছে অনুরোধ, দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান করুন।
এই মানুষগুলো শুধু স্বাস্থ্যকর্মী নন, তাঁরা প্রান্তিক বাংলাদেশের জীবনরেখা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Like Our Page