উদ্বোধনের কয়েক মাসের মধ্যেই গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে ‘মওলানা ভাসানী সেতু’র সংযোগ সড়কে সৃষ্ট ছোট-বড় গর্ত থেকে দুর্ঘটনা এড়াতে ‘লাল নিশান’ গেঁড়ে দিয়েছে এলজিইডি।
জানা যায়, এলজিইডির অধীনে দেশের সবচেয়ে বড় এ সেতুটি জনসাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয় গত ২০ আগস্ট। সেতুটি খুলে দেওয়ার পর সংযোগ সড়কগুলোর মধ্যে সুন্দরগঞ্জ থেকে মওলানা ভাসানী সেতু পর্যন্তু সড়কটি হয়ে উঠেছে বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
রংপুর, পীরগাছা, চৌধুরানী ও সুন্দরগঞ্জ এবং কুড়িগ্রাম, উলিপুর ও চিলমারীর হাজার হাজার মানুষ দিন-রাত চলাচল করছে এ সড়ক দিয়ে। তাছাড়া, তিস্তা নদীর ওপর নির্মিত এ সেতুটির পাশাপাশি ওই এলাকার পরিবেশ দেখতে প্রতিদিন ভিড় করছে বিভিন্ন অঞ্চলের বিভিন্ন বয়সের নর-নারীসহ হাজারো মানুষ।
বেপরোয়া গতিতে চলছে মোটরসাইকেল, ভ্যান ও অটোরিকশা। মাঝে মধ্যে ঘটছে দুর্ঘটনা। এরই মধ্যে প্রাণও গেছে দু-একজনের। তার ওপর বাদ সেধেছে সুন্দরগঞ্জ থেকে বেলকা বাজার পর্যন্ত ৮ কিলোমিটার সড়কের দুধারে সৃষ্ট ছোট-বড় গর্ত। বেপরোয়া যান চলাচল ও বাতি না থাকায় ওই সব গর্ত বাড়িয়ে দিয়েছে দুর্ঘটনার আশঙ্কা।এই লাল নিশানে গাড়ির গতি যে মানুষ কমাবে সেটা মনে হয় না। কাজেই দ্রুত এই সড়কের গর্তগুলো মেরামত করা দরকার।