শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে সন্ত্রাসী হামলায় ছাত্রদল নেতা নিহত, প্রতিবাদ এবং হত্যা কারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সড়ক অবরোধ এইমাত্র বনানীতে মর্মান্তিক বাস দুর্ঘটনায় দুইজন স্পটেই নিহত হয়েছেন জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ উপলক্ষে কর্মসূচী ঘোষণা জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ উপলক্ষে ৭ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা উখিয়ায় বিজিবির অভিযানে ৬০ লক্ষ টাকার ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার কামরাঙ্গীরচরে প্রিন্টিং কারখানায় আগুন, দ্রুত নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস নতুন এসপি মিজানুর রহমানের হাতে কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ, আইনশৃঙ্খলা জোরদারের প্রত্যাশা শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ শিশুদের হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬ এর উদ্বোধন, আগামী কাল থেকে শুরু হওয়া এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেয়া সকল পরিক্ষার্থীদের জন্য জিবিসি পরিবারের পক্ষ থেকে শুভ কামনা সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়নে মন্ত্রীর বক্তব্য ইতিবাচক: বিএমএসএফ

দেশের প্রায় অর্ধেক মানুষ ইন্টারনেটের বাইরে : বিবিএস জরিপ

দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক জনগোষ্ঠী এখনো ইন্টারনেট সুবিধার বাইরে রয়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ জরিপে এই তথ্য উঠে এসেছে।

জরিপের তথ্য বলছে, দেশের মোট ১৬ কোটি ৯৮ লাখ মানুষের মধ্যে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন মাত্র ৮ কোটি ৩০ লাখের কিছু বেশি। বাকি প্রায় ৮ কোটি ৭০ লাখ মানুষ কার্যত ডিজিটাল সংযোগহীন। তারা রাষ্ট্রের ডিজিটাল সেবা, তথ্যপ্রাপ্তি ও প্রযুক্তিনির্ভর সুযোগ থেকে বঞ্চিত।

প্রতি তিন মাস পরপর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রয়োগ ও ব্যবহারসংক্রান্ত জরিপ করে বিবিএস। সর্বশেষ জরিপটি করা হয়েছে জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর সময়ে। এসময় দেশের ৬১ হাজার ৬৩২টি খানা (পরিবার) থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। জরিপে পাঁচ বছর বা তার বেশি বয়সি নাগরিকদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

বিবিএসের সর্বশেষ জনশুমারি অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৯৮ লাখ। গত এক দশকে সরকারের বিভিন্ন দপ্তর ও প্রকল্পের মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্ক, ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার এবং মোবাইল নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করা হয়েছে। তবে বাস্তবতায় দেখা যাচ্ছে, এই অবকাঠামোর সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছায়নি।

বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, দেশে ব্যক্তিগতভাবে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন মাত্র ৪৮.৯ শতাংশ মানুষ। দেশে ৮১ শতাংশ মানুষ মোবাইল ফোন ব্যবহার করলেও নিজের নামে মোবাইল সেটের মালিকানা রয়েছে মাত্র ৫৭ শতাংশ মানুষের। অর্থাৎ প্রায় এক-চতুর্থাংশ মানুষ অন্যের ফোনের ওপর নির্ভরশীল। এই বাস্তবতা ব্যক্তিগতভাবে ইন্টারনেট ব্যবহারের সীমাবদ্ধতাকে আরো প্রকট করে তুলছে।

বিশ্লেষকদের মতে, একটি পরিবারে এক বা দুটি ফোন থাকলেও ব্যবহারকারী একাধিক হওয়ায় ইন্টারনেট ব্যবহারে ধারাবাহিকতা থাকে না। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, নারী ও বয়স্ক নাগরিকদের ক্ষেত্রে এই সীমাবদ্ধতা আরো গভীরভাবে প্রভাব ফেলছে।

ইন্টারনেট ব্যবহারে লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্যও স্পষ্ট। পুরুষদের মধ্যে ৫১ শতাংশ ইন্টারনেট ব্যবহার করলেও নারীদের ক্ষেত্রে এই হার মাত্র ৪৬ শতাংশের কিছু বেশি। প্রযুক্তিবিদদের মতে, এটি কেবল পরিসংখ্যানগত ব্যবধান নয়; বরং নারীর শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তির পথে একটি বড় অন্তরায়। গ্রামাঞ্চল ও নিু আয়ের জনগোষ্ঠীর অবস্থাও একই রকম।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Like Our Page