এম, এ কাশেম, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :
জাতীয় সংসদের নির্বাচনী এলাকা চট্টগ্রাম ১ মীরসরাই আসনে গত নির্বাচনে বিএনপি থেকে
মনোনয়ন চেয়েছিলেন তৎসময়ে দায়িত্ব রত: মীরসরাই উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহবায়ক ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপি’র সম্মানিত সদস্য এবং জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস)’র কেন্দ্রীয় কমিটির সম্মানিত সদস্য ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা জাসাস’র সাধারণ সম্পাদক এ ছাড়া ছাত্র কালীন সময়ে মীরসরাই উপজেলা (তৎ সময়ে থানা) ছাত্রদলের সভাপতি এবং তৎপরবর্তী মীরসরাই উপজেলা যুবদলের সভাপতি শাহিদুল ইসলাম চৌধুরী। কিন্তু, গত নির্বাচনকালীন সময়ে তাকে মনোনয়ন না দিয়ে তার থেকে যোগ্য মনে করে দলীয় ভাবে মীরসরাই উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক, চট্টগ্রাম উত্তর জেলার সহ সম্পাদক, মীরসরাই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এবং তৎপরবর্তী চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহবায়ক নুরুল আমিনকে মনোনয়ন দেয়া হয়। কিন্তু, তৎসয়কার রাষ্ট্রিয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত থাকা আওয়ামী লীগ সরকার জোরজবরদস্তি মুলক ভাবে এক তরফা নির্বাচন করতে গেলে সারাদেশের মীরসরাই আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সরে দাড়ায়। আর সে সময় মনোনয়ন বঞ্চিত হওয়া শাহিদুল ইসলাম চৌধুরীকে আগামীর জন্য আশ্বাস দিয়ে দল মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে কাজ করে যাওয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়। এর পর একক ক্ষমতার প্রভাব খাটানোর পর গত ৫ আগষ্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটার পর বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার রাষ্ট্রিয় ক্ষমতা গ্রহন একটি সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন উপহার দেয়ার কাজ করতে গিয়ে আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের সিডিউল ঘোষণা করেন। সে প্রেক্ষিতে গত নির্বাচনে দল থেকে মনোনয়ন বঞ্চিত হওয়ার পর এবারকার নির্বাচনে মনোনয়ন পাওয়ার নিশ্চিত আশা নিয়ে দল এবং দলীয় নেতা-কর্মীদের জন্য কাজ করে এসেছিলেন উক্ত শাহিদুল ইসলাম চৌধুরী। কিন্তু, গতবারের মতো এবারো তাকে মনোনয়ন বঞ্চিত করে দলীয় ভাবে মনোনয়ন দেয়া হয় গতবারের মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থী নুরুল আমিন চেয়ারম্যানকে। যার পরিপ্রেক্ষিতে গত কয়েকদিন তিনি মনোনয়ন বদল করে মীরসরাই বিএনপি’র অগনিত নেতা-কর্মী (তার ভাষায়) আশা আকাংক্ষার প্রতিফলন ঘটাবেন কেন্দ্রীয় কমিটি সে অপেক্ষায় থেকে চুড়ান্ত মনোনয়ন নিশ্চিত করন শেষে মনোনয়ন পত্র জমা দানের শেষ দিন ২৯ ডিসেম্বর (সোমবার) তিনি চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তার মনোনয়ন পত্র জমা দেন।
প্রাসঙ্গিক বিষয়ে সন্ধ্যার ফোন করে এর সত্যতা জানতে চাইলে শাহিদুল ইসলাম চৌধুরী এ প্রতিবেদককে বলেন, দলকে ভালোবাসি, দল এবং দলীয় নেতা-কর্মীদের জন্য দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছি। দায়িত্ব না পেলে ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও বৃহৎ পরিসরে কাজ সম্ভব হয় না। আর সেই নিরীখে দলীয় নেতা-কর্মীরা আমাকে মনোনীত করে দলের কাছে মনোনয়নের জন্য দাবি জানাতে উৎসাহিত করে। যার নিরীখে আমি দল থেকে মনোনয়ন চেয়েছিলাম কিন্তু কোনো ভুল কারণবশত: দল আমাকে মনোনয়ন বঞ্চিত করে যাহা দল নিবেদিত অসংখ্য নেতা-কর্মীরা মেনে নিতে পারেননি এবং পারছেন ও না। আর শেষ পর্যন্ত দল নিবেদিত অসংখ্য নেতা-কর্মীদের চাপে আমি মনোনয়ন পত্র জমা দিতে বাধ্য হয়েছি। তিনি আশা পোষণ করে বলেন- যেহেতু দল থেকে বাইরে যাইনি সেহেতু সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ ভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে আমি চট্টগ্রাম ১ মীরসরাই আসনটি বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও দলের সম্মানিত চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার পরিবার’র সম্পদ এবং বিএনপি’র আগামী দিনের চালিকাশক্তি দলের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে উপহার দিতে পারবো বলে মনে করি ইনশাল্লাহ।