শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে সন্ত্রাসী হামলায় ছাত্রদল নেতা নিহত, প্রতিবাদ এবং হত্যা কারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সড়ক অবরোধ এইমাত্র বনানীতে মর্মান্তিক বাস দুর্ঘটনায় দুইজন স্পটেই নিহত হয়েছেন জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ উপলক্ষে কর্মসূচী ঘোষণা জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ উপলক্ষে ৭ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা উখিয়ায় বিজিবির অভিযানে ৬০ লক্ষ টাকার ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার কামরাঙ্গীরচরে প্রিন্টিং কারখানায় আগুন, দ্রুত নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস নতুন এসপি মিজানুর রহমানের হাতে কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ, আইনশৃঙ্খলা জোরদারের প্রত্যাশা শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ শিশুদের হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬ এর উদ্বোধন, আগামী কাল থেকে শুরু হওয়া এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেয়া সকল পরিক্ষার্থীদের জন্য জিবিসি পরিবারের পক্ষ থেকে শুভ কামনা সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়নে মন্ত্রীর বক্তব্য ইতিবাচক: বিএমএসএফ

তিন সন্তান নিয়ে এক মায়ের রুদ্ধশ্বাস লড়াই

মোঃ রানা ইসলাম, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি:

ঠাকুরগাঁওয়ে তীব্র ঠান্ডায় জরাজীর্ণ এক ঘরে তিন সন্তান নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন বিলকিস আক্তার নামের এক মা।
হিমালয় ঘেঁষা উত্তরের জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে জেঁকে বসেছে হাড়কাঁপানো শীত আর ঘন কুয়াশা। এই তীব্র ঠান্ডায় জনজীবন যখন বিপর্যস্ত, তখন জরাজীর্ণ এক ঘরে তিন সন্তান নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন বিলকিস আক্তার নামের এক মা।
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের সিন্দুর্না নদীপাড়া গ্রামের এই পরিবারের পাঁচ সদস্যের মধ্যে স্বামী শারীরিকভাবে অক্ষম হওয়ায় সংসারের পুরো ঘানি টানতে হচ্ছে বিলকিসকে। তার তিন সন্তানের মধ্যে বড় ছেলে ফয়সাল (১৩) ও মেঝো ছেলে কাউসার (৮) দুজনেই শারীরিক প্রতিবন্ধী। ছোট মেয়ে জান্নাতুনকে নিয়ে বিলকিসের এই একাকী সংগ্রামের চিত্র অত্যন্ত হৃদয়বিদারক।
সরেজমিনে দেখা যায়, টিন ও বাঁশের তৈরি জরাজীর্ণ ঘরটির চারপাশ থেকে হু-হু করে ঢুকছে উত্তরের হিমেল বাতাস। বিছানায় সামান্য খড় বিছিয়ে তার ওপর ছেঁড়া এক কম্বল মুড়ি দিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছে শিশুরা। এতেও কমছে না শীতের তীব্রতা; ঠান্ডায় প্রায়ই অসুস্থ হয়ে পড়ছে প্রতিবন্ধী শিশু দুটি। রাতে ঠান্ডা বাতাসে শিশুদের কান্না আর কাশির শব্দে ঘুম নেই বিলকিসের চোখে। সারারাত সন্তানদের পাশে বসে নির্ঘুম রাত কাটান তিনি।
নিজের অসহায়ত্বের কথা জানিয়ে বিলকিস আক্তার বলেন, মা হয়ে সন্তানদের এই কষ্ট আমি সহ্য করতে পারি না। দুইটা বাচ্চা প্রতিবন্ধী, ওরা ঠান্ডা একেবারেই সহ্য করতে পারে না। রাতে যখন কাঁপতে থাকে, তখন চোখের পানি ফেলা ছাড়া আমার আর কিছুই করার থাকে না। ঘরে খাবার নেই, সাদা ভাত খেয়ে কোনোমতে দিন পার করছি। আশপাশের মানুষ সাহায্য না করলে হয়তো না খেয়েই মরে যেতাম
স্থানীয় প্রতিবেশী বিলকিসের পরিবারের কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান ও চিকিৎসা- প্রতিটি মৌলিক চাহিদার তীব্র অভাব তাদের।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Like Our Page