অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, নির্বাচনের বিষয়ে যারা এখনো সন্দেহ ও সংশয় ছড়াচ্ছেন, তাদের সরকার নজরদারিতে রেখেছে।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
এ সময় তিনি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের প্রস্তুতি, পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোটদান ও নিবন্ধনের সংখ্যা, ‘ভোটের গাড়ি’ প্রচারণা এবং অন্যান্য নির্বাচনী প্রস্তুতি সংক্রান্ত তথ্যও তুলে ধরেন।
প্রেস সচিব বলেন, যারা এখনও সংশয় তৈরি করছে, তাদের প্রোফাইল সরকার স্পষ্টভাবে জানে। তারা আগে কী ছিল, তাদের ভূমিকা কী ছিল? তারা কেন সংশয় ছড়াচ্ছেন? নির্বাচনের ৩৭ দিন বাকি আছে। আমরা মনে করি আমরা খুবই ভালোভাবে প্রস্তুত আছি। পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর আত্মবিশ্বাস আগের চেয়ে আরও বেড়েছে। কারণ সম্প্রতি বাংলাদেশের ইতিহাসের তিনটি বড় ইভেন্ট- শরীফ ওসমান হাদির জানাজা, তারেক রহমানের দেশে ফেরা উপলক্ষে বড় রাজনৈতিক সমাবেশ এবং বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা সফলভাবে নিরাপত্তার সঙ্গে সম্পন্ন করা হয়েছে।
গণভোটে অংশগ্রহণ বাড়াতে ধর্মীয় নেতাদের সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সারাদেশে প্রায় ৪ লাখ মসজিদ, অসংখ্য মন্দির ও গির্জার মাধ্যমে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করার কাজ চলছে। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের নেটওয়ার্ক গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত হওয়ায় এই বার্তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়বে। ‘হ্যাঁ’ ভোটটা এবার গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এই গণভোটের মাধ্যমে পুরো ১০০ বছরের বাংলাদেশের দিকনির্দেশনা থাকবে।
প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, আমরা রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে, আমাদের নিরাপত্তা যারা দেখেন, যে এজেন্সিগুলো তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। যাদের যাদের নিরাপত্তা দরকার, তাদের অনেককেই গানম্যান দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা, রাজনৈতিক দলের নেতাদের নিরাপত্তা অবশ্যই আমাদের একটা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। সেটা নিয়ে পুলিশ কাজ করছে। বিশেষ করে পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চ এটা নিয়ে খুব কাজ করছে। আর এরপরও যদি স্থানীয় পর্যায় থেকে তারা নিরাপত্তা চান, সেটা পুলিশ অবশ্যই খতিয়ে দেখবে- তাদের কতটুকু প্রয়োজন।