রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার কার্যক্রম নিয়ে বই প্রকাশ জানুয়ারিতে বিজিবির অভিযানে ১৩১ কোটি টাকার চোরাচালান জব্দ সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন নাহিদ ইসলাম ধানমন্ডিতে জোড়া খুনের মামলার রায় ১৭ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম বন্দরে আজ থেকে আবার অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি: কার্যক্রমে অচলাবস্থা চট্টগ্রামে ভোটের সব প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন: আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৪০ হাজার সদস্য মাঠে সুন্দরগঞ্জে ব্রিজ ভেঙে বাড়িতে নিলেন চেয়ারম্যান ইন্ডাস্ট্রি ইউনিভার্সিটি হলে শাকিব প্রিন্সিপাল: চিত্রনায়িকা বুবলী কারাদণ্ডের বদলে জরিমানার বিধান : ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা অধ্যাদেশ জারি জরুরি সভায় যোগ দিতে পাকিস্তান গেলেন বিসিবি সভাপতি

ধানমন্ডিতে জোড়া খুনের মামলার রায় ১৭ ফেব্রুয়ারি

ছয় বছর আগে রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকায় এক শিল্পপতির শাশুড়ি ও গৃহকর্মীকে গলাকেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় রায় ঘোষণার তারিখ পিছিয়ে আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি ধার্য করেছেন আদালত।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার সপ্তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ তাওহীদা আক্তারের আদালত এ তারিখ ধার্য করেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী খলিলুর রহমান (আসাদ) এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, আজ মামলাটির রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য ছিলো। এজন্য কারাগারে থাকা দুই আসামিকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। তবে রায় প্রস্তুত না হওয়ায় আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি তারিখ ধার্য করেন আদালত।
আসামিরা হলেন- বাসার কর্মী বাচ্চু মিয়া এবং কাজের মেয়ে সুরভী আক্তার নাহিদ।

২০১৯ সালের ১ নভেম্বর রাতে শিল্পপতি কাজী মনির উদ্দিন তারিমের শাশুড়ি আফরোজা বেগম (৬৫) এবং তার গৃহকর্মী দিতির (১৮) রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তারা ধানমন্ডির ‘লোবেলিয়া হাউজ’ নামের একটি ভবনের পঞ্চম তলার থাকতেন। ওই বাসায় দুজনকেই গলাকেটে হত্যা করা হয়। আফরোজা যে ফ্ল্যাটে থাকতেন, আর তার উল্টো দিকের ফ্ল্যাট এবং তার ঠিক উপরে ছয়তলার ফ্ল্যাট নিয়ে ডুপ্লেক্সে বাসায় স্বামী-সন্তান নিয়ে থাকেন তার মেয়ে দিলরুবা সুলতানা রুবা। ঘটনার দুদিন পর তিনি মামলাটি দায়ের করেন।
২০২২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি পিবিআইয়ের তদন্ত শেষে দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা মজিবুর রহমান। তারা হলেন, আফরোজা বেগমের বাসার কর্মী বাচ্চু মিয়া এবং কাজের মেয়ে সুরভী আক্তার নাহিদ। ওই বছরের ১১ অক্টোবর দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার শুরু হয়। বিচার চলাকালে আদালত ৩২ সাক্ষীর মধ্যে ২৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Like Our Page