রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ১০:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রবীণ সাংবাদিকদের অবসর ভাতার আশ্বাস তথ্য মন্ত্রীর প্রশংসনীয় উদ্যোগ রোববার (১৯ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার কেওয়া পূর্বখণ্ড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তারেক রহমানের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কালিয়াকৈরে খাল খননের মহোৎসব: নেতৃত্বে এমপি মজিবুর চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে ড্রাম ট্রাক চাপায় নিহত থানা যুবদলের আহবায়ক কামাল স্মরণে শোক্ সভা অনুষ্ঠিত শ্রীপুরে শীতলক্ষ্যা নদীতে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে দুই স্কুল ছাত্রীর মৃত্যু । চলে গেলেন না ফেরার দেশে এক পুলিশ সদস্য ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মোহনপুরে নিখোঁজের দুইদিন পর শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, এলাকা জুড়ে শোকের ছায়া। সায়দাবাদ চিশতিয়া সাইদিয়া দরবার শরীফ, জামে মসজিদের ২০০ ফিট উঁচু মিনার নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোদন। মসজিদে মাদকবিরোধী সচেতনতা: কঠোর অবস্থানের বার্তা পুলিশের চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ের আমবাড়িয়ায় গতকাল পিটিয়ে বৃদ্ধাকে হত্যার প্রধান আসামি রিকুকে গ্রেপ্তার করছে পুলিশ।

এনবিআর সংস্কার থেকে অসহযোগ কর্মসূচি, কেন?

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার নানা ধরনের সংস্কার কর্মসূচি হাতে নেয়। এর ধারাবাহিকতায় ৯ অক্টোবর জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সংস্কারে একটি পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট পরামর্শক কমিটি গঠন করা হয়।

এই কমিটির সদস্যরা সবাই এনবিআরের সাবেক কর্মকর্তা। তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক চেয়ারম্যান মো. আব্দুল মজিদ ও নাসির উদ্দিন আহমেদও। গত ২২ ডিসেম্বর কমিটি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে একটি অন্তর্বর্তী প্রতিবেদন জমা দেয়। এ পর্যন্ত সবকিছুই স্বাভাবিক ও ইতিবাচকভাবে অগ্রসর হচ্ছিল। এনবিআরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, সরকারপক্ষ এবং সুশীল সমাজ এই উদ্যোগকে স্বাগত জানায়।
তবে নাটকীয়তা শুরু হয় সেই প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর থেকেই। কারণ, অজ্ঞাত কারণে প্রতিবেদনটি সরকার এখনও প্রকাশ করেনি। সন্দেহ শুরু সেখান থেকেই। যদিও গণমাধ্যমে যেসব তথ্য-উপাত্ত প্রকাশ পেয়েছে, তাতে কোনো বৈষম্যমূলক বা বিতর্কিত সুপারিশ চোখে পড়েনি এনবিআর কর্মকর্তা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের।
তবে গত ১৩ এপ্রিল যখন এনবিআর বিলুপ্ত করে ‘রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ’ গঠনের খসড়া অধ্যাদেশ প্রকাশিত হয়, তখন থেকেই এনবিআর সংশ্লিষ্টদের মধ্যে গুঞ্জন ও ক্ষোভ দানা বাঁধতে শুরু করে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দাবি, এই খসড়া অধ্যাদেশ ছিল ‘বিনা মেঘে বজ্রপাতের’ মতো। কারণ, এটি পূর্বের কোনো খসড়ার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না এবং গণমাধ্যমে প্রকাশিত পরামর্শক কমিটির সুপারিশের সঙ্গেও এর সাদৃশ্য ছিল না।এর পরিপ্রেক্ষিতে রাজস্ব বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নানা মাধ্যমে প্রতিবাদ জানাতে শুরু করেন। কর ও কাস্টমস অ্যাসোসিয়েশনের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে সংশ্লিষ্টরা তাদের পর্যবেক্ষণ সরকারের উচ্চপর্যায়ে পৌঁছানোরও চেষ্টা চালান।

এই পরিস্থিতিতে ৩০ এপ্রিল এফবিসিসিআই আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে অর্থ উপদেষ্টা মো. সালাহউদ্দিন বলেন, ‘অধ্যাদেশ হয়ে গেছে, এখন আমি আর কিছু করতে পারব না।’ কিন্তু বাস্তবতা ছিল ভিন্ন। কারণ, ১৩ এপ্রিল যেটি জারি হয়েছিল, তা ছিল কেবল একটি খসড়া অধ্যাদেশ। মূল ও চূড়ান্ত অধ্যাদেশটি জারি করা হয় ১৩ মে দিবাগত রাতে, যা পরবর্তীতে ‘মধ্যরাতের অধ্যাদেশ’ হিসেবে পরিচিতি পায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Like Our Page