এম, এ কাশেম, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :
কুমিল্লার চান্দিনায় দুই সাংবাদিকের সাথে সহকারী কমিশনার (ভুমি)/ এসি ল্যান্ড ফয়সাল আল নুর দুই সাংবাদিকের সাথে উদ্ধত পূর্ন আচরণ এবং পুলিশ ডেকে সাংবাদিকের হাতে হাতকড়া লাগিয়ে গ্রেপ্তার করিয়ে থানা হাজতে ঢুকানোর তীব্র নিন্দা-প্রতিবাদ জানানো হচ্ছে চট্টগ্রাম সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে।
বলাবাহুল্য, বর্তমান রাষ্ট্রিয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত বিএনপি’র একমাত্র মুখোপত্র দৈনিক ‘দিনকাল’ পত্রিকায় নিজের এলাকা চট্টগ্রাম (উত্তর) এ দায়িত্ব রত: একজন নিজস্ব প্রতিনিধি/ সাংবাদিক এবং ‘জিবিসি টিভি’র পক্ষ থেকে এর চট্টগ্রাম প্রতিনিধি ও মীরসরাই-চট্টগ্রাম উত্তর এর সাংবাদিক সমিতির সিনিয়র সহ সভাপতি হিসেবে দাবি জানিয়ে এ প্রতিবেদক বলছেন- আর যা-ই হোক্ তারা তো সাংবাদিক?
কোনো অন্যায় আচরণ করলে সাংবাদিক হিসেবে ও পার পাওয়ার কথা নয়। তবে, তা নিজেদের গ্রাউন্ডে হতে হবে। কিন্তু, ওই এসিল্যান্ড কেনো এমন উদ্ধত পূর্ন আচরণ করলো সাংবাদিকদের সাথে? এবং পুলিশ ডেকে সাংবাদিকদেরকে গ্রেপ্তার করিয়ে থানা হাজতে ঢুকানোর কোন্ ক্ষমতায় কে অধিকার রাখেন তিনি?
সুতরাং, ওই এসি ল্যান্ডকে শাস্তির আওতায় আনতেই হবে।
সাথে থানার ওসিকে ও জিজ্ঞেস করতে হবে, সাংবাদিকদের কেনো হাতকড়া পরানো হলো?
প্রয়োজন মাফিক ওসি কমিশনার হিসেবে তার অর্ডার তামিল করতে গিয়ে বিষয়টি তাকে বুঝানোর দরকার ছিলো। এবং অন্যান্য সাংবাদিকদের বিষয়টি জানিয়ে আলাপ আলোচনার ভিত্তিতে তা সমাধান করার চেষ্টা করা যেতো।
কিন্তু, তা না করে ওসি ও বা কেনো ওই এসি ল্যান্ড এর কথায় অতি উৎসাহি হয়ে কেনো-ই বা সাংবাদিকদের হাতে হাতকড়া পরিয়ে গ্রেপ্তার করে থানা হাজতে ঢুকানোর সাহস দেখালেন?
উল্লেখ্য যে, বিগত ১৭ বছর ওই রকম বৈষম্য সারাদেশ ব্যাপী চালানো হয়েছিলো।
কিন্তু, এখন আর সেই সময় নেই।
সুতরাং, সাংবাদিক, রাজনৈতিক দলীয় নেতা কর্মী এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তা সহ সর্বক্ষেত্রে সবাই কে শান্ত-সংযত হয়ে যার যার অবস্থান থেকে সৌহার্দ্যপূর্ণ মানসিকতার মাধ্যমে যথাযথ ভাবে দায়িত্ব পালন করে যেতে হবে।
সবাইকে মনে রাখতে হবে-আগেকার সময় এবং এখনকার সময় এক নয়। যদি এক মনে করে কেউ আগেকার মতো কর্মসাধনে লিপ্ত থাকে তাহলে তাদের জন্য আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে।
তথাপি, আগেকার সময় এবং এখনকার সময়কে এক করা যাবে না।
উল্লেখ্য, ভুক্তভোগী উক্ত দুই সাংবাদিকরা হলেন- দৈনিক মানবজমিন পত্রিকার দেবিদ্বার উপজেলা প্রতিনিধি এবং দ্যা পিপলস্ অনলাইন নিউজ পোর্টাল এর প্রতিনিধি আবদুল আলিম।
তারা এসি ল্যান্ড অফিসে একটি বৈঠক সংক্রান্ত বিষয়ে জানতে চাওয়ার সাথে সাথে সে তাদের সাথে উদ্ধত্যপূর্ন আচরণ করেন। এবং তার ওই আচরণ সংক্রান্ত বিষয়টি ভিডিও রেকর্ড করাকালীন সে থানা থেকে পুলিশ ডেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করার নির্দেশ দেন।
আর তাতে অতি উৎসাহী পুলিশরা দেরি না করে বাধ বিচারহীন ভাবে দুই সাংবাদিকের হাতে হাচকড়া লাগিয়ে থানার লক আপে নিয়ে ঢুকিয়ে দেয়!