শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে সন্ত্রাসী হামলায় ছাত্রদল নেতা নিহত, প্রতিবাদ এবং হত্যা কারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সড়ক অবরোধ এইমাত্র বনানীতে মর্মান্তিক বাস দুর্ঘটনায় দুইজন স্পটেই নিহত হয়েছেন জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ উপলক্ষে কর্মসূচী ঘোষণা জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ উপলক্ষে ৭ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা উখিয়ায় বিজিবির অভিযানে ৬০ লক্ষ টাকার ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার কামরাঙ্গীরচরে প্রিন্টিং কারখানায় আগুন, দ্রুত নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস নতুন এসপি মিজানুর রহমানের হাতে কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ, আইনশৃঙ্খলা জোরদারের প্রত্যাশা শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ শিশুদের হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬ এর উদ্বোধন, আগামী কাল থেকে শুরু হওয়া এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেয়া সকল পরিক্ষার্থীদের জন্য জিবিসি পরিবারের পক্ষ থেকে শুভ কামনা সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়নে মন্ত্রীর বক্তব্য ইতিবাচক: বিএমএসএফ

দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি: বাজার নিয়ন্ত্রণ জরুরি

দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতিতে মানুষ এখন বে-সামাল হয়ে পড়ছে। দিন দিন কেবল বাড়তির খবর শুনছে মানুষ। কমতির খবর নেই। এমন বাড়তির খবর শুনতে শুনতে মানুষের এখন জীবন চালানোই দায় হয়ে পড়ছে। গত জুলাই আগস্ট বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার বিপ্লবে এ দেশের সরকার পরিবর্তন হয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের মনে আশা জেগেছিল দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে আসবে। কিন্তু বাস্তবতায় দেখা যাচ্ছে আগের তুলনায় মানুষের ভোগান্তি আরও বেড়েছে। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে কারোই এমন প্রত্যাশা ছিল না। সম্প্রতি অভিযোগ উঠেছে, সরকার নির্ধারণকৃত পণ্য বিক্রেতারা বিক্রি করছেন নিজেদের ইচ্ছে মতো। যেমন খুশি তেমন দাম বাড়িয়ে দিচ্ছেন। এতে সরকারি ভাবে তেমন কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখেনি জনগণ। পত্রপত্রিকার খবরাখবর থেকে জানা যায়, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে গত ১৫ সেপ্টেম্বর সরকার ডিম ও মুরগির মূল্য নির্ধারণ করে দেয়। নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী খুচরা পর্যায়ে ফার্মের মুরগির প্রতিটি ডিমের দাম রাখা হয় ১১ টাকা ৮৭ পয়সা। সে হিসেবে প্রতি ডজন ডিমের মূল্য ১৪২ টাকা ৪৪ পয়সা। কিন্তু উদ্বেগের বিষয় হলো বাজারে নির্ধারিত মূল্য চ ২০ থেকে ৩০ টাকা বেশিতে বিক্রি হচ্ছে প্রতি ডজন ডিমে দাম। এছাড়াও সরকার নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগির মূল্য ১৭৯ টাকা ৫৯ পয়সা। কিন্তু বাজারে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২১০ টাকায়। সোনালি মুরগি ২৬৯ টাকা ৬৪ পয়সা কেজি নির্ধারণ করা হলেও বাস্তবে ২৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির ক্ষেত্রেও বিক্রেতারা মানছেন না সরকারের বেঁধে দেওয়া মূল্য। বাজারে স্বস্তি মিলেনি গরুর এবং খাসির মাংসেও। ভাতে-মাছে বাঙালির বাংলাদেশে মাছের বাজারেও মিলছে না স্বস্তি। মাছ ভেদে সকল মাছের কম বেশি দাম বেড়েছে। নিম্ন আয়ের মানুষের নিত্যদিনের সঙ্গী সবজি, সেই সবজি কিনতে এখন গুনতে হচ্ছে দ্বিগুণের চেয়েও বেশি টাকা। পাশাপাশি পিঁয়াজসহ মসলার বাজারেও এখন আগুন। সপ্তাহখানেক আগে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১২০ টাকা কেজিতে। এখন তার মূল্য ১৩০ টাকা। এভাবেই প্রত্যেকটি জিনিসের দাম লাগামহীন ভাবে বেড়েই চলছে। দেশে সাধারণত যে পণ্যের মূল্য একবার বেড়ে যায় তা আর কমে না। কোনো পণ্যের ওপর শুল্ক বাড়ানো হলে তার মূল্য বেড়ে যায় শুল্কের হারের চেয়ে বেশি। কিন্তু যে পণ্যের ওপর শুল্ক কমানো কিংবা শুল্কমুক্ত করা হয় সেসব পণ্যের দাম কমে না কখনোই। তবে একটি সরকার পরিবর্তন হলে মানুষ নতুন করে আশাবাদী হয়, স্বস্তি পেতে চায়। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতিও মানুষের সেই প্রত্যাশা রয়েছে। তাই বাজারব্যবস্থায় সিন্ডিকেট, চাঁদাবাজ ও মধ্যস্বত্বভোগীসহ নানা মহলের যে দৌরাত্ম্য রয়েছে তা প্রতিহত করতে সরকারকে দ্রুত উদ্যোগী হতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Like Our Page