শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে সন্ত্রাসী হামলায় ছাত্রদল নেতা নিহত, প্রতিবাদ এবং হত্যা কারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সড়ক অবরোধ এইমাত্র বনানীতে মর্মান্তিক বাস দুর্ঘটনায় দুইজন স্পটেই নিহত হয়েছেন জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ উপলক্ষে কর্মসূচী ঘোষণা জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ উপলক্ষে ৭ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা উখিয়ায় বিজিবির অভিযানে ৬০ লক্ষ টাকার ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার কামরাঙ্গীরচরে প্রিন্টিং কারখানায় আগুন, দ্রুত নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস নতুন এসপি মিজানুর রহমানের হাতে কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ, আইনশৃঙ্খলা জোরদারের প্রত্যাশা শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ শিশুদের হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬ এর উদ্বোধন, আগামী কাল থেকে শুরু হওয়া এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেয়া সকল পরিক্ষার্থীদের জন্য জিবিসি পরিবারের পক্ষ থেকে শুভ কামনা সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়নে মন্ত্রীর বক্তব্য ইতিবাচক: বিএমএসএফ

নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কায় পুরো দেশ

প্রকাশ্য দিবালোকে ছিনতাই, ডাকাতি, হামলা, ধর্ষণ সহ নানা ধরনের অপরাধমূলক কর্ম পুরো দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখের সামনে ঢাকা শহরের কোনো কোনো এলাকা অপরাধীদের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকার কথা উল্লেখ করা যায়। শুধু ওই এলাকার অধিবাসীই নয়, এখন পুরো নগরবাসীকে ভীষণ আতঙ্কগ্রস্ত করে তুলেছে। রাতের ঢাকায় টহল পুলিশের দেখা কম মেলায় ঢাকার অনেক এলাকাতেই মানুষকে গন্তব্যে পৌঁছতে হয় উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার মধ্যে। মধ্যরাত থেকে ভোর পর্যন্ত, এমনকি দিনে-দুপুরেও ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটছে। ছিনতাই প্রতিরোধে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কার্যত কোনো ভূমিকা রাখতে পারছে না বলে মনে করছেন ভুক্তভোগীরা। রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর সবচেয়ে নাজুক অবস্থা হয় দেশের আইনশৃঙ্খলার। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, পুলিশের টহল ও নজরদারি এখনও স্বাভাবিক হয়নি। তবে ধীরে ধীরে টহল বাড়ানোর চেষ্টা করছে পুলিশ। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় যেসব থানায় আগুন দেওয়া হয়েছে, সেগুলো ঠিকঠাক করে দ্রুত কার্যক্রম বাড়ানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে পুলিশের মনোভাব এখনও দুর্বল। তাদের মধ্যে মামলা ও বদলির আতঙ্ক কাজ করছে। আবার পুলিশের অনেক ইউনিটে এখন নতুন মুখ, যাদের সব কিছু গুছিয়ে নিতে সময় লাগছে। এ সুযোগে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে অপরাধীরা। ছিনতাই বেশি বেড়ে যাওয়ায় নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কায় রাজধানীবাসী। ডাকাতির ঘটনা বিশ্লেষণ করে পুলিশ জানতে পেরেছে, সড়ক, বাসাবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তারা বেশি হানা দিয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, ব্যাংকের গ্রাহকদেরও টার্গেট করা হচ্ছে। আর ভোরের দিকে বাসস্ট্যান্ড, লঞ্চ টার্মিনাল, রেলস্টেশন ও নিরিবিলি-অন্ধকার সড়কে রিকশাযাত্রীদের নিশানা বানিয়েছে ছিনতাইকারীরা। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ছিনতাই-ডাকাতির শিকার হয়েছেন এমন অনেকে পুলিশি সহায়তা নিচ্ছেন না। অর্থাৎ জিডি কিংবা মামলা করছেন না। কারণ হিসেবে ভুক্তভোগীরা বলছেন, থানা-পুলিশ-আদালতের ঝামেলা এড়াতে পুলিশের শরণাপন্ন হননি তারা। অনেক ভুক্তভোগী আবার ডাকাতির শিকার হয়ে থানায় গিয়ে ছিতাইয়ের মামলা করেছেন। ফলে মনে করি, এসব অপরাধ কমাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আরও জোরালো ভূমিকা রাখতে হবে।’ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান, টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধির পাশাপাশি তল্লাশিচৌকি বসালে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Like Our Page