বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
এইমাত্র বনানীতে মর্মান্তিক বাস দুর্ঘটনায় দুইজন স্পটেই নিহত হয়েছেন জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ উপলক্ষে কর্মসূচী ঘোষণা জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ উপলক্ষে ৭ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা উখিয়ায় বিজিবির অভিযানে ৬০ লক্ষ টাকার ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার কামরাঙ্গীরচরে প্রিন্টিং কারখানায় আগুন, দ্রুত নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস নতুন এসপি মিজানুর রহমানের হাতে কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ, আইনশৃঙ্খলা জোরদারের প্রত্যাশা শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ শিশুদের হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬ এর উদ্বোধন, আগামী কাল থেকে শুরু হওয়া এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেয়া সকল পরিক্ষার্থীদের জন্য জিবিসি পরিবারের পক্ষ থেকে শুভ কামনা সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়নে মন্ত্রীর বক্তব্য ইতিবাচক: বিএমএসএফ করিমগঞ্জে অবৈধ বালু উত্তোলনে ফসলি জমি বিলীন, ভাঙনের মুখে গ্রাম

গাইবান্ধায় পানি সংকটে ৬০০ পরিবার,শোধনাগার বন্ধ

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ পৌরসভায় দেড় বছর আগে পানি শোধনাগার প্রস্তুত হলেও মাঝখানে মাস দুয়েক পানি সরবরাহের পর তা বন্ধ হয়ে যায়। ফলে বিশুদ্ধ পানি নিয়ে সংকটে পড়েছেন ৬০০ পরিবারের অন্তত ২ হাজার মানুষ।

জানা যায়, পৌরসভার পাঁচটি ওয়ার্ডে বসবাসরত নাগরিকদের বিশুদ্ধ পানির চাহিদা মেটাতে ২০২২ সালের শেষ দিকে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় ৪ কোটি ৫৩ লাখ ৬৫ হাজার ৪৭৩ টাকা ব্যয়ে ২০০ ঘনমিটার ক্ষমতাসম্পন্ন পানি শোধনাগার প্রকল্প তৈরির কাজ শুরুর পর তা শেষ হয় ২০২৪ সালের জুন নাগাদ।

এক হাজার ২০০ পরিবারের জন্য নিরাপদ পানি সরবরাহের পরিকল্পনা থাকলেও শেষমেশ সংযোগ দেওয়া হয় ৬০০ পরিবারে। এ জন্য স্থাপন করা হয় ৮০০ মিটার ট্রান্সমিশন লাইন এবং ১২ কিলোমিটার বিভিন্ন ব্যাসের ডিস্ট্রিবিউশন পাইপলাইন।

পরে ওই বছরের জুলাইয়ের মাঝামাঝি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর পানি সরবরাহের জন্য শোধনাগারটি বুঝিয়ে দেয় পৌর কর্তৃপক্ষকে। কিন্তু পৌরসভায় প্রকল্পের আওতায় ড্রেন ও আরসিসি রাস্তা নির্মাণ করতে গিয়ে ঠিকাদার ৫০টি হাউজ কানেকশন কেটে ফেলে।
ফলে বন্ধ হয়ে যায় শোধনাগারের পানি সরবরাহ। কয়েকমাস ধরে পানি সরবরাহ বন্ধ থাকায় বিশুদ্ধ পানি সংকটে পড়েছেন পৌরসভার ৬০০ পরিবারের অন্তত ২ হাজার মানুষ।

পানি সংকটে ভোগার জন্য পৌর কর্তৃপক্ষের অবহেলাকে দায়ী করছেন স্থানীয়রা। তারা বলছেন, ড্রেন ও আরসিসি রাস্তা নির্মাণ করতে গিয়ে ঠিকাদার যে ৫০টি পরিবারের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছে, তা জরুরি ভিত্তিতে মেরামত করার দায়িত্ব ছিল সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার বা পৌরসভার। কিন্তু তাদের সেই দায়িত্বহীনতার কারণে কয়েক মাস ধরে আমাদের এই ভোগান্তি। ভোগান্তি নিরসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানান তারা।

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশল কার্যালয় সূত্র বলছে, ড্রেন ও আরসিসি রাস্তা করার সময় কেটে ফেলা পানি সরবরাহ লাইন মেরামতের দায়িত্ব ছিল পৌরসভার। এটা বারবার বলেও কোনো কাজ হয়নি। পরে বাধ্য হয়ে এর সমাধানের জন্য প্রকল্প পরিচালক ও নির্বাহী প্রকৌশলী বরাবর আবেদন করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Like Our Page